সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে জামিন চাইলে কী হতে পারে?

ছবির উৎস, Benazir Ahmed/facebook
- Author, জান্নাতুল তানভী
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, ঢাকা
- Published
- পড়ার সময়: ৬ মিনিট
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত কোনো চুক্তি না থাকায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতারের পর থেকে তাকে কী প্রক্রিয়ায় ফেরত আনা হবে সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে। তাকে ওই দেশের আদালতে তাকে হাজির করা হতে পারে এবং তিনি জামিন আবেদন করতে পারেন বলেও জানা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজের সাবেক অ্যাসোসিয়েট এডিটর এবং দ্য অ্যারাবিয়ান পোস্টের এক্সিকিউটিভ এডিটর সাইফুর রহমান বিবিসি বাংলাকে জানান, দেশটিতে সরকারি ছুটি শেষে অফিস-আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। সেক্ষেত্রে এখন যদি বেনজীর আহমেদকে আদালতে হাজির করা হয় তাহলে তিনি জামিন আবেদন করতে পারেন।
"সম্ভবত তার আইনজীবীরা আদালতে মুভ করবেন, তার জামিনের জন্য। হয়তো ট্রাভেল ব্যান বা এই জাতীয় যদি কিছু থেকে থাকে, হয়তো দেশেই রাখবে। বাংলাদেশ সরকারের পরবর্তী মুভমেন্টের ওপরে ওনার ভাগ্যটা নির্ধারিত হবে," বলেন সাইফুর রহমান।
আদালতের প্রক্রিয়া শুরু হলে পাবলিক প্রসিকিউশন থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা যাবে বলেও জানান তিনি। তবে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য বিবিসি বাংলা হাতে পায়নি।
মি. রহমান বিবিসিকে বলেন, দুবাই বিমানবন্দর থেকে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করার যে খবর পাওয়া যাচ্ছে সেটি সঠিক নয়, তাকে দুবাই মল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মি. আহমেদ দুবাইতেই ছিলেন ও সেখানকার রেসিডেন্ট বলেও জানান তিনি।
সাইফুর রহমান জানান, বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে রয়েছেন বলেও তথ্য রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ বা বেনজীর আহমেদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
"দুবাইয়ের গোল্ড কার্ড যেটা দশ বছর মেয়াদী, বিনিয়োগকারীদের এই গোল্ড কার্ড দেওয়া হয়। শর্ত পূরণ করলে যে কোনো বিদেশি নাগরিককে ১০ বছর মেয়াদে গোল্ড কার্ড দেওয়া হতে পারে," বলেন মি. রহমান।
তবে বাংলাদেশের সাবেক এই পুলিশপ্রধানকে কীভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, বা তাকে নিয়ে অন্যান্য বিষয়ে এখনো দুবাই পুলিশ কোনো বক্তব্য দেয়নি বলেও জানান মি. রহমান।
অন্যদিকে, আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ বা ফেরানোর বিষয়টি মূলত চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইনি পেশায় রয়েছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওলোরা আফরিন।
তিনি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, বাংলাদেশের সাথে ইউএই এর প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও তাকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি তাদের আইন, আদালত, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং যথাযথ নথিপত্রের ওপরই মূলত নির্ভর করছে।
মিজ আফরিন বলেন, "ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ইজ নট অ্যান অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট। ইটস জাস্ট এ নোটিশ। বাংলাদেশের সাথে প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও ইউএই কোর্টে মূলত চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয়কে কনসিডার করা হয়। সেটা হচ্ছে যেই অভিযোগে ইন্টারপোলে নোটিশটা এসেছে, বাংলাদেশে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেটাকে এখানেও ক্রিমিনাল অ্যাক্ট হিসেবে গণ্য করা হবে কি না"।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য সংবাদ

ছবির উৎস, Benazir Ahmed/facebook
যে প্রক্রিয়ায় বেনজীরকে ফেরাতে হবে
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
আইনজীবী ওলোরা আফরিন জানান, সাবেক আইজিপির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক, নাকি আসলেই অপরাধমূলক কার্যক্রমে তিনি জড়িত ছিলেন সেটিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত বিবেচনা করবে।
আইনজ্ঞরা বলছেন, সাবেক আইজিপিকে ফেরাতে বাংলাদেশকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালতে বেশ কিছু নথি জমা দিতে হবে। গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি, মামলা সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র, অপরাধ সংশ্লিষ্ট সব নথি এবং বাংলাদেশের আদালতের সব আদেশের নথি জমা দিতে হবে আরব আমিরাতের আদালতে।
মিজ আফরিন বলেন, এগুলো দেখে, সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক আছে কি না এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনি ব্যবস্থা অনুযায়ী আদালতের কাছে সব নিয়মমতো এসেছে কি না সেগুলো দেখা হবে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালতের ওপরই নির্ভর করবে বলেও তিনি জানান।
মি. বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, আরেকটির বিচার চলছে।
এছাড়া পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ আরো পাঁচটি মামলার তদন্ত চলছে। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায়ও তদন্ত চলছে।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা আইনজীবী মিজ আফরিন বলছেন, কূটনৈতিক এবং আইনি দুইক্ষেত্রেই একইসাথে চেষ্টা চালাতে হবে।
"আমি বলবো এটা আসলে, ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলেই মূলত বেশি কাজ করবে। সেক্ষেত্রে একটা সিদ্ধান্তে আসতে ইউএই সরকারও বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করবে। আর এই প্রসেসটা ফলো করলে এটায় আনুমানিক কম-বেশি ৩০ দিনের মতো সময় লাগবে," বলেন এই আইনজীবী।
দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, দুদকের দায়ের করা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ এই দুইটি মামলায় রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলে পাঠানো হয়েছিল বলে জানান তিনি।
"গ্রেফতার করছে মূলত জ্ঞাত আয় বহির্ভূত মামলায়। এখন আমাদের পরবর্তী যে কার্যক্রম তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যে রিকোয়েস্ট লেটার পাঠাতে হবে, তার সাথে সমস্ত ডকুমেন্টসগুলো যুক্ত করে পুলিশ সদর দপ্তর হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে প্রপার চ্যানেলে যাবে," বলেন মি. ইসলাম।
আকতারুল ইসলাম জানান, পুলিশ সদর দফতরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো বা এনসিবি'র সহায়তায় বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এরইমধ্যে পাঠানো হয়েছে এবং সেগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানোর কথা রয়েছে।
ফেরানো কঠিন হতে পারে কখন?
বিশ্বের বেশ কিছু দেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য শিথিল আইনি ব্যবস্থার উদাহরণ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও এমন উদাহরণ রয়েছে।
সাংবাদিক সাইফুর রহমান বলছেন, বেনজীর আহমেদ যদি লিগ্যাল রেসিডেন্ট হন এবং এখানে তার কোনো অপরাধের অভিযোগ না থাকে, সেক্ষেত্রে উনার আইনজীবীরা হয়তো এই যুক্তিটা তুলে ধরতে পারেন।
তবে মিজ আফরিন মনে করেন, দুবাইয়ে বিনিয়োগকারী হলেও আইনি শিথিলতা পাওয়া যাবে বিষয়টি এমন নয়। বরং বিষয়টি বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে বলে তিনি মনে করছেন।
তিনি ঢাকার স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশ পরিদর্শক মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানের মামলাটির কথা তুলে ধরেন।
২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বাংলাদেশি নাগরিক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি করেছিল। কিন্তু তার অন্য দেশের নাগরিকত্ব, অর্থাৎ ভারতীয় পাসপোর্ট থাকার কারণে পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশে ফেরানো যায়নি।
মিজ আফরিন বলছেন, "মি. বেনজীর আহমেদ, উনার যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব থাকে সেই ক্ষেত্রে হয়তো ওই দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা কী আছে, সেটাও দেখবে ইউএই"।

ছবির উৎস, SUHAIMI ABDULLAH VIA GETTY IMAGES
সাবেক আইজিপিকে ফেরানো নিয়ে সরকারের উদ্যোগ
রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মি. আহমেদকে গ্রেফতারের খবরটি জানানোর পাশাপাশি তাকে অতি দ্রুতই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছিলেন।
সংসদ অধিবেশনের আগে বিবিসি বাংলাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, "প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক চ্যানেলে তাকে দেশে ফেরত আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠানো হবে।"
এরইমধ্যে, সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাবেক আইজিপি মি. আহমেদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, "ইন্টারপোলের কাছে ওয়ারেন্টের কপি যাবে। সেই কপি চেয়ে আমাদের পক্ষ থেকে সরকার ইতোমধ্যে আমার জানা মতে তাকে প্রত্যর্পণ চেয়ে, বিনিময় চেয়ে, ইতোমধ্যে তাকে ফেরত চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।"
সাবেক আইজিপি মি. আহমেদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রায় ছয় থেকে সাতটি মামলার তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামও প্রত্যার্পণ চুক্তি না থাকলেও কূটনৈতিক চ্যানেলে মি. আহমেদকে ফেরানোর কথা জানিয়েছেন।
মি. ইসলাম বলেন, "বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে কয়টি ওয়ারেন্ট আছে, সেগুলো দিয়ে সরকার ইতোমধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে ইউএই সরকারের কাছে আবেদন করেছে, তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার জন্য"।
"ওখানকার একটা প্রসিডিউর আছে যে তাদের ৩০ দিনের মধ্যে আমরা যখন কোনো এক্সট্রাডিশনের আবেদন করা হয়, সেখানকার প্রসিকিউটরের কাছে সেটা উপস্থাপন করা হয়, প্রসিকিউটর এটা আপিল আকারে তাদের আদালতে উপস্থাপন করে, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সেই বন্দিকে ফেরত পাঠানো হয়।"
উল্লেখ্য, ভারত ও থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের এক্সট্রাডিশন চুক্তি রয়েছে।

ছবির উৎস, INTERPOL/RED-NOTICES
রেড নোটিশে ফেরানোর অতীত উদাহরণ
ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে রেড নোটিশের যে তালিকা দেখা গেছে, সেখানে অবশ্য বাংলাদেশের সাবেক এই আইজিপি বেনজীর আহমেদের নামটি পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের ৫৯ জন ব্যক্তির নাম অবশ্য এই রেড নোটিশের তালিকায় দেখা যাচ্ছে।
বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের আবেদনে শীর্ষ সন্ত্রাসী, হত্যা মামলার আসামি, শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের দেশে ফেরানো যায়নি।
এর মধ্যে, শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর চৌধুরী ও রাশেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রেড নোটিশ থাকলেও তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
এক্ষেত্রে, বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার শঙ্কায় যেসব দেশে তারা অবস্থান করছেন সেসব দেশ তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না, এটাও বলা হয়।
তবে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, সিকিউরিটি কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট এবং অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ট্রান্সফার অব সেনটেন্সড পারসনস নামে বাংলাদেশের সাথে দেশটির দুইটি চুক্তি রয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য করা এই চুক্তির আওতায় ওই দেশ থেকে বাংলাদেশে আসামি ফেরানোর নজিরও রয়েছে।
যেমন- নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে এই মামলার আসামি মহসিন মিয়াকে ফিরিয়ে আনা হয়।
সর্বশেষ গত ছয়ই মে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামি আরিফ সরকারকেও দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনে বাংলাদেশ পুলিশ।
এছাড়া, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সংঘটিত আব্রাহাম খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোবারক মণ্ডল হত্যাকাণ্ডের পর কাতারে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির মাধ্যমে কাতারে তার অবস্থান শনাক্ত করে এ বছরের ২৭ শে মে তাকেও দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।








