পত্রিকা: 'চরমপন্থী হামলার হুমকি, নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার'

নিউ এইজের শিরোনাম 'THREATS OF EXTREMIST ATTACKS: Govt boosts surveillance, security' অর্থাৎ 'চরমপন্থী হামলার হুমকি: নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার।'
খবরে বলা হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদন কেন্দ্র এবং রাজধানীর শাহবাগ ক্রসিংয়ে নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠনগুলোর হামলার হুমকির মুখে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার একজন উপ-মহাপরিদর্শক (গোপনীয়) স্বাক্ষরিত পুলিশ সদর দপ্তরের এক চিঠি অনুসারে, জাতীয় সংসদ এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠান বা তাদের সদস্যদের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে যে, পুলিশ তথ্য পেয়েছে বরখাস্ত হওয়া দুই সেনাসদস্য সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠনের সদস্য ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে সামি ওরফে আবু বকরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে হুমকির বিষয়ে গোপন তথ্য পেয়েছিল।


'বিদ্যুতে ভর্তুকির টাকা ছাড়ে কঠোর শর্ত অর্থ বিভাগের' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ খাতের ঘাটতি মোকাবেলায় প্রতি মাসে বড় অংকের ভর্তুকি প্রয়োজন হয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি)। এ অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রির ঘাটতি মেটায় সংস্থাটি।
মার্চেও বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি (আইপিপি) ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বকেয়া বিল পরিশোধে বিপিডিবিকে ২ হাজার ৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি হিসেবে দিয়েছে অর্থ বিভাগ। তবে এবার অর্থছাড়ে তারা বেশকিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
ভর্তুকির অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমদানি বিদ্যুতের বিল যেমন পরিশোধ করা যাবে না, তেমনি আইপিপি ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (৯৪টি) বিল ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে অর্থ পরিশোধ করা যাবে না।
বিপুল বকেয়া পরিশোধের দায় এবং বিদ্যুতের উৎপাদন ও কেন্দ্রের জ্বালানি ঘাটতির মধ্যে ভর্তুকির টাকা ছাড়ে অর্থ বিভাগের এ ধরনের শর্তারোপ বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলবে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবির কর্মকর্তারা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'চারটি বড় কেন্দ্রে উৎপাদন কম, বেড়েছে লোডশেডিং' প্রথম আলোর শিরোনাম।
দেশে বিদ্যুতের চাহিদার দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও তা কাজে লাগছে না। জ্বালানিসংকট, বকেয়া বিল ও কারিগরি ত্রুটির কারণে সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
এর মধ্যে উৎপাদন কমেছে চারটি বড় কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্রেও। ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শুক্র-শনি) চাহিদা কমলেও লোডশেডিং কমেনি। বৃষ্টি না হলে আরও কয়েক দিন ভুগতে হতে পারে লোডশেডিংয়ে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের দুই মূল সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড পিএলসি (পিজিসিবি) সূত্র বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু কয়েক দিন ধরে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন করা যাচ্ছে না।
যদিও দিনের অধিকাংশ সময় উৎপাদন হচ্ছে ১২ হাজার মেগাওয়াট। চাহিদা ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট। দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে।
দেশে বিদ্যুতের চাহিদা মেটায় মূলত গ্যাস, কয়লা ও তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার ৪৩ শতাংশ গ্যাসভিত্তিক। এ ছাড়া ২২ শতাংশ কয়লাভিত্তিক ও ১৯ শতাংশ ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এর বাইরে রয়েছে। আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

'জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ২৪ শতাংশ কমেছে' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের শিল্পকারখানা বড় ধরনের চাপে পড়েছে। জ্বালানি তেল ও গ্যাসের ঘাটতি এবং লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন কমেছে।
এর সঙ্গে পরিবহনের বাড়তি ব্যয়ও যুক্ত হয়েছে। গত দুই মাসে তৈরি পোশাক, ইস্পাত, সিমেন্ট, ওষুধ, হিমায়িত মৎস্য, ভোগ্যপণ্য তৈরির কারখানায় উৎপাদন কমেছে গড়ে ২৪ শতাংশ।
একই সময়ে পরিচালন ব্যয় বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম, সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খুলনা, মুন্সীগঞ্জের প্রধান শিল্পাঞ্চল ঘুরে এবং তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চট্টগ্রামে সচল থাকা এক হাজার ৬৭৬টি শিল্পকারখানার মধ্যে পোশাক, রি-রোলিং মিল, জাহাজ ভাঙা ও সিমেন্টের মতো ভারী শিল্পগুলোই প্রধান। জ্বালানি সংকটের কারণে এ ধরনের শিল্পে উৎপাদন প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমেছে।
এ ছাড়া সাভার-আশুলিয়ায় সাড়ে তিন শতাধিক সচল পোশাক কারখানা ও আনুষঙ্গিক প্রতিষ্ঠান আছে। সেগুলোতে দৈনিক উৎপাদন এক লাখ পিস থেকে ৮০-৯০ হাজারে নেমেছে।

'লোডশেডিং অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতায়' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম। এর মাঝেই চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং। দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। চরম ভোগান্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
শনিবার ছুটির দিনেও দুপুরে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। অথচ এই চরম দুর্ভোগের মূলে রয়েছে কেবলই অব্যবস্থাপনা এবং সরকারি বিভাগগুলোর চরম সমন্বয়হীনতা।
একদিকে ৪২ হাজার কোটি টাকার বকেয়া, টাকার অভাবে কয়লা ও জ্বালানি কিনতে পারছে না বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। অন্যদিকে নতুন নতুন শর্ত জুড়ে দিয়ে ভর্তুকির টাকা আটকে রেখেছে অর্থ বিভাগ। দুই বিভাগের এই আমলাতান্ত্রিক লড়াইয়ের চড়া মাশুল গুনছে সাধারণ মানুষ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত বৃষ্টি কেবল দেশকে লোডশেডিংমুক্ত করতে পারে। কারণ, এই গরমে বিদ্যুতের যে চাহিদা, তা মেটানোর মতো প্রস্তুতি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবির নেই।

'জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে দেশ' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আবারও বড় ধরনের জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে দেশ। এবার রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জাতীয় সংসদ ভবন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর স্থাপনা ও সদস্য, ধর্মীয় উপাসনালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এতে বেশ অনেক দিন পর নড়েচড়ে বসেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। চব্বিশের ৫ই আগস্টের পর জেল পলাতক অনেক জঙ্গির বাইরে চলে আসা এবং নিষিদ্ধ বিভিন্ন জঙ্গি গ্রুপের নাশকতা ও অপতৎপরতার বিষয়টিকে সংবেদনশীল বিবেচনায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জঙ্গি হামলার বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পুলিশ সদর দপ্তর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করে একটি চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠিটি কালের কণ্ঠের হাতে এসেছে।
ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) স্বাক্ষরিত ওই চিঠি থেকে জানা যায়, জঙ্গি সংগঠনের সমর্থক কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে।

'গুপ্ত ইস্যু: ছোট শব্দে বড় রাজনীতি' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।
এরই মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকা , চট্টগ্রাম , কুমিল্লা ও পাবনায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে , আপাত-দৃষ্টিতে " গুপ্ত " শব্দকে কেন্দ্র করে বিরোধের প্রকাশ ঘটলেও এর পেছনে রয়েছে বহুমাত্রিক রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ।
দুই সংগঠনের নেতা-কর্মী, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাতীয় রাজনীতির জটিল সমীকরণ, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার এবং আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচন —এই তিন কারণ ' শান্ত ' ক্যাম্পাসকে 'অশান্ত' করে তুলেছে।
ছাত্রদলের অভিযোগ, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও শিবিরের হল কমিটিসহ অন্যান্য কমিটিগুলো ঘোষণা করা হয়নি, যা গুপ্ত রাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ।

'বন্ড সুবিধার আড়ালে এ কেমন কারবার' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জাল এফওসি, নকল ইউডি ও ভুয়া এইচএস কোড ব্যবহার করে বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কাপড় আমদানির অভিযোগ উঠেছে গাজীপুরের স্পাইডার গ্রুপের বিরুদ্ধে।
প্রতিষ্ঠানটির আওতাধীন তিনটি গার্মেন্টস নিট বাজার লিমিটেড, বটম গ্যালারি ও ট্রাউজার ওয়ার্ল্ডের নামে এই কাপড় আমদানি করা হয়। ছোট কারখানা, সীমিত শ্রমিক ও সীমাবদ্ধ উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও গত ছয় মাসে এই বিপুল পরিমাণ উন্নত কাপড় আমদানি করার তথ্য মানবজমিনের হাতে এসেছে।
শুল্ক ছাড়ে আমদানি করা এসব কাপড়ের অধিকাংশই খোলা বাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারের শ' শ' কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অতি গোপনে শুল্ক ফাঁকির মহাযজ্ঞ চালিয়ে গেলেও সম্প্রতি বিজিএমইএ'র নজরে পড়ে যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটির কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চায় বিজিএমইএ।

'চতুর্মুখী সঙ্কটে বোরো মৌসুম' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের কৃষি অর্থনীতির প্রাণভোমরা বোরো মৌসুম। মোট ধান উৎপাদনের ৫৫ শতাংশের বেশি আসে এই মৌসুম থেকেই। অথচ চলতি বছর বোরো চাষ একযোগে একাধিক সঙ্কটে জর্জরিত।
বিদ্যুতের লোডশেডিং, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি, সারের সঙ্কট, কৃষিযন্ত্র ও শ্রমিকের অভাব- সবমিলিয়ে কৃষি খাত এখন চরম চাপে।
এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রাকৃতিক ঝুঁকি, বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যার আশঙ্কা। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ধানের সরকারি মূল্য অপরিবর্তিত থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
বাংলাদেশের ধান উৎপাদন কাঠামোতে বোরো, আমন ও আউশ- এই তিন মৌসুম গুরুত্বপূর্ণ হলেও উৎপাদনের মূল ভরকেন্দ্র বোরো।
এ মৌসুমে প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়, যেখানে আমনে প্রায় এক কোটি ৬৭ লাখ টন এবং আউশে প্রায় ৩০ লাখ টন। ফলে বোরো মৌসুমে সামান্য ব্যাঘাতও সরাসরি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'No measles let-up before mid-May' অর্থাৎ 'মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের আগে হামের প্রকোপ কমবে না'।
খবরে বলা হচ্ছে, চলমান টিকাদান কর্মসূচি সত্ত্বেও হামে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতির সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, হামের প্রকোপ বেশি এমন ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় গত ৫ এপ্রিল টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অন্যান্য এলাকায় টিকাদান কর্মসূচি দেরিতে শুরু হওয়ায় সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে সময় লাগতে পারে। তাঁরা আরও বলেন, আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করার পরেও মৃত্যু আরও এক মাস অব্যাহত থাকতে পারে।
গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ রোগীর মৃত্যুর পর এই সতর্কতার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ নিয়ে গত ১৫ই মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০৯-এ দাঁড়িয়েছে। যাদের অধিকাংশই শিশু রোগী।








