জুলাই আন্দোলনের পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোর কী অবস্থা?

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images
- Author, জান্নাতুল তানভী
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, ঢাকা
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
জুলাই আন্দোলনের সময়ের এক হত্যা মামলায় প্রায় বিশ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন বাংলা দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত।
রাজধানীর ভাষানটেক থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেফতার করা হয় মি. দত্ত এবং একাত্তর টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল হক বাবুসহ তিনজন সাংবাদিককে।
তবে শুধু এই তিনজনই নন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে হত্যা ও সহিংসতার অভিযোগে ২৬৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মামলা করা হয়। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই সময় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি বা এর সমর্থকদের অনেকেই এই সাংবাদিকদের অনেককেই 'শেখ হাসিনার দোসর' বলে অভিযোগ তোলেন।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাস থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত মোট এ ধরনের ৩৭টি মামলায় সাংবাদিকদের অভিযুক্ত করা হয়।
এই মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, এসব মামলায় ১৪ জন সাংবাদিক গ্রেফতার হয়েছেন।
কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব মামলায় জামিনে মুক্তি মেলেনি কারও। এমনকি এসব মামলায় এখনো দেওয়া হয়নি অভিযোগপত্র, শুরু হয়নি বিচারিক প্রক্রিয়া।
সাংবাদিকদের কয়েকজনের স্বজন ও তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উচ্চ আদালতে জামিন আবেদনের শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ বারবার সময় আবেদন করে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
একইসঙ্গে কোনো মামলায় হাইকোর্ট জামিন দিলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার জজ আদালতে গিয়ে সেটি স্থগিত হয়ে যাচ্ছে।
এই সাংবাদিকদের স্বজনদের এখন একটাই চাওয়া, 'মুক্তি'।
"এটলিস্ট ঈদের আগে হলেও যাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমার বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়া পড়াশোনা করছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখনো ফ্রিজ থাকায় মেয়ের কাছে টাকাও পাঠাতে পারছি না," বলেন সাংবাদিক শ্যামল দত্তের স্ত্রী কনা দত্ত।
এদিকে, এসব মামলার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে অপরাগতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস কাজল। "পেন্ডিং মামলার বিষয়ে" কথা বলতে চান না বলে জানান তিনি।
এরই মধ্যে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে সহযোগিতা চেয়েছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।
গত ২১শে এপ্রিল এই সংগঠনের সাংবাদিক নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন।
নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানান, বিনা বিচারে কাউকে এভাবে আটকে রাখা যায় না। বর্তমান সরকার এই বিষয়ে ইতিবাচক। প্রধানমন্ত্রী এই সংক্রান্ত মামলায় সাংবাদিকদের একটি তালিকা চেয়েছেন।
"আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি, আমরা বলেছি যে, এটার সুরাহা হওয়া উচিত। তিনি তো বলছেন যে, আমরা সুরাহা করার চেষ্টা করবো, আপনারা আমাদের লিস্ট দেন" বলেন মি. চৌধুরী।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য সংবাদ

ছবির উৎস, Collected
'আদালতের ওপর আস্থা রাখতে চাচ্ছি'
মামলায় প্রভাব পড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের স্বজনদের অনেকে কথা বলতে চাননি।
একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ এবং সাবেক চিফ করেসপনডেন্ট ফারজানা রূপা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-সমর্থকরা এই দুই সাংবাদিককে 'ফ্যাসিবাদের দোসর' বলে অভিযোগ করে।
একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ২১শে অগাস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের আটক করা হয়।
পরদিন উত্তরা – পূর্ব থানায় দায়ের করা ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তাদের চারদিন রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
এরপরে আদাবর থানায় দায়ের করা গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যার আরেকটি মামলায় মিজ রূপা ও মি. আহমেদের আরো পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
এই মামলায় ওই বছরের ৩১শে অগাস্ট ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদকে কারাগারে পাঠায় আদালত।
তবে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চাননি এই দুইজনের পরিবারের সদস্যরা।
এই দুইজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা ১৫টি হত্যা মামলা রয়েছে।
এসব মামলায় জামিনের জন্য বিচারিক আদালতে আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর হয়।
পরে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়। এর মধ্যে ১৩টি মামলায় জামিন শুনানি শেষ হওয়ার পর ২৮শে এপ্রিল আদেশ দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ সময় আবেদন করলে আদেশ দেওয়ার সময় পিছিয়ে ১১ই মে নির্ধারণ করে হাইকোর্ট।
এই মামলার তদন্ত শেষ করতে তদন্ত কর্মকর্তারা কাজ করছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
কয়েকটি মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেও পরে সেটি উচ্চ আদালতে গিয়ে স্থগিত হয়ে যায় বলে জানা গেছে।
এসব হত্যা মামলার কোনোটিতে তারা এজাহারনামীয় আসামি, আবার কোনোটিতে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে রয়েছেন এই দুই সাংবাদিক।

ছবির উৎস, Getty Images
শাকিল আহমেদের পরিবারের নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে সবগুলাই জুলাইয়ের হত্যা মামলা। কোনোটা দুর্নীতি বা অন্য স্পেসিফিক কিছু নাই। কোনোটাতেই তারা এক নম্বর আসামি না। ১০ নম্বরের পরে বা ৩২, ৫৭, ১১১ এরকম।"
এখনো মামলাগুলোর চার্জশিট দেওয়া হয়নি, কিন্ত গ্রেফতার রাখা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
"১৮ মাস হয়ে গেল এখনো দেয় নাই। এটা তো নিয়ম চার্জশিট দেওয়ার, না দিলে জামিন দিতে হবে," বেশ আক্ষেপের সাথেই বলেন এই স্বজন।
এধরনের মামলার আসামি সাংবাদিকদের অনেকেরই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখনো জব্দ।
ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্তের একজন স্বজন, যিনি তার পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি, তিনি জানান, নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা থাকলেও কারাগারে চিকিৎসা পারছেন না মি. দত্ত।
হার্ট এবং স্লিপ অ্যাপনিয়া সংক্রান্ত রোগ থাকার পরও তিনি চিকিৎসা পাচ্ছেন না এবং সংবাদপত্রের সম্পাদক ক্যাটাগরিতে কারাগারে ডিভিশন পাওয়ার কথা থাকলেও তাকে তা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তার ওই স্বজন।
তিনি আরো দাবি করেন, ভাষানটেক থানায় দায়ের করা যে হত্যা মামলায় মি. দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ওই ঘটনার সময় তিনি ঢাকায়ই ছিলেন না।
মি. দত্তের বিরুদ্ধে এরকম ঠিক কতগুলো মামলা রয়েছে সেটি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত নয় এই পরিবার।
বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপরে আস্থা রাখতে চান উল্লেখ করে এই স্বজন বলেন, "আমি এখন আস্থা রাখতে চাই"। এতোদিন একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, "এখন মনে হচ্ছে, আমরা হয়তো এখন পেতে পারি"।
তবে, এসব মামলায় যারা গ্রেফতার রয়েছেন, জামিন আবেদন করলেও তাদের কেউই জামিন পাননি।
"শাকিল-রূপার যেটা হয়েছে, সেটা কীভাবে... এই জামিন হচ্ছে, আবারো শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাচ্ছে, তাহলে কোথায় যাবো?" বলেন মি. দত্তের এই স্বজন।
'ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কা'
এদিকে, ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের আইনজীবী জেড আই খান পান্না, যিনি নিজেই জুলাইয়ের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলার আসামি।
মি. পান্নার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী নিজেই তাকে চেনেন না বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বেশ সমালোচনা হয়। একপর্যায়ে ওই বাদী মি. পান্নার নাম প্রত্যাহার চেয়ে আদালতেও আবেদন করেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী জানান, ওই মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় তার নাম রয়েছে, মামলাটি এখনো আছে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে যেসব মামলা হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সেগুলো প্রায় এক ধরনের উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মি. পান্না।
"এই প্রতিটি মামলার ধরন বা প্যাটার্ন প্রায় একই রকম। প্রত্যেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পাঁচটির বেশি করে মামলা দেওয়া হয়েছে," বলেন এই আইনজীবী।
সম্পাদক শ্যামল দত্ত এবং একাত্তর টিভির সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, শাহরিয়ার কবির, সাবেক মন্ত্রী ও একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাবেক প্রধান কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নূরের আইনজীবী মি. পান্না।
ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে মি. পান্না বলেন, একাধিকবার জামিন চাইলেও নানা প্রক্রিয়ায় সময় নষ্ট করা হচ্ছে।
"রাষ্ট্রপক্ষ সময় নিয়ে পিছায়, আবার কোর্টের জুরিসডিকশন চেঞ্জ হয়, নতুন করে মামলা নিয়ে আরেক কোর্টে দৌড়াতে হয়, এটা একটা দুর্ভোগ। এখন ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা," বলেন মি. পান্না।
কয়েকটি মামলায় করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষ, তেসরা মে রায় দেওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে বলে জানান তিনি।
End of বিবিসি বাংলার আরো সংবাদ

'আইন যেন নিপীড়নের হাতিয়ার না হয়'
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বেশ উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল অভিযোগ সাংবাদিকদের অনেকের।
সংবাদমাধ্যমের অফিসে হামলা, শত শত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা এবং তিন দফায় সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল।
গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন মামলা ও গ্রেফতারের সমালোচনা করছেন মানবাধিকারকর্মী এবং আইনজীবীরা।
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস, আর্টিকেল ১৯, রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডারস এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোও এ ঘটনার সমালোচনা করে আসছে।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এর আগে এক বিবৃতিতে, সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং হত্যা মামলার আসামি করা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে।
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস বা সিপিজে সম্প্রতি চারজন সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে- তারা হলেন, মোজাম্মেল হক বাবু, শ্যামল দত্ত, ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ।
সিপিজের চিঠিতে বলা হয়েছে, নথিপত্র, স্বজনদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা বলছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। কোনো অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়নি।
”আটক রাখার ধরন দেখে মনে হয় মূলত সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাদের এসব মামলায় জড়ানো হয়েছে”- লিখেছে সিপিজে।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের সময়েও এরকম ঢালাও মামলা করা হতো বলে অভিযোগ উঠেছিল।
সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে অবশ্যই আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মানবাধিকারকর্মী কাজী জাহেদ ইকবাল বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আইন যেন নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেবে, কিন্তু যাতে কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত না করা হয় এবং মতপ্রকাশে বাধা দেওয়া না হয়। আইনের অবশ্যই নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ এবং সৎ প্রয়োগ হতে হবে।"
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের এই উপদেষ্টা বলছেন, "মানবাধিকারকর্মী হিসেবে স্বাধীন মত প্রকাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় এরকম কাজের বিরোধিতা করি।"
এদিকে, নোয়াবের সভাপতি ও সাংবাদিক নেতা মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, নির্বাচিত এই বিএনপি সরকার সাংবাদিকদের এই প্রসঙ্গে ইতিবাচক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিক নেতাদের জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের মামলাগুলো এই সরকারের আমলে দায়ের হয়নি কিংবা কেউ গ্রেফতারও হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সুরাহা করার আশ্বাস দিয়েছেন উল্লেখ করে মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক বলেন, "আমরা আশা করি যেহেতু পুরোনো মামলা, এই মামলাগুলো সরকার রিভিউ করে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে"।








