আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখে নয়টি পরিযায়ী পাখির চোখধাঁধানো ছবি
- Author, শাহনেওয়াজ রকি
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
- পড়ার সময়: ৩ মিনিট
বাংলাদেশে প্রতিবছর শীতে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি আসে। সাইবেরিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চল থেকে শুরু করে ইউরোপ, মধ্য এশিয়া থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে শীতের সময় বাংলাদেশে আসে এসব অতিথি পাখিরা।
বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরায় তোলা তেমন কিছু পরিযায়ী পাখির ছবি এখানে তুলে ধরা হলো। বিভিন্ন সময়ে দেশের নানান প্রান্ত থেকে এসব পাখির ছবি ক্যামেরা বন্দি করেছেন ফটোগ্রাফাররা।
চকাচকি বা খয়রা চখাচখি
সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৮৪ লাখ ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। গত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা কমে গেলেও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। শীতে বাংলাদেশে এরা পরিযায়ী হয়ে আসে।
নীলগলা ফিদ্দা
নীলগলা ফিদ্দা পাখিটি হাওর, বিল বা জলাশয়ের ধারের ঝোপে অথবা নলবনে এরা অন্য পাখিদের সঙ্গে রাত কাটায়। সাধারণত একাকী থাকে। এরা ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ায় বিচরণকারী পাখি।
পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক
দাগি রাজহাঁস
পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়।
শীতকালে এরা মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিযায়ী হয়ে আসে। শীতের শেষে আবার সেখানে চলে যায় এবং সেখানকার পার্বত্য হ্রদসমূহে বিচরণ ও প্রজনন করে।
সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এরা বিস্তৃত, প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাস।
চিতিপাখ শালিক
এটি উত্তর ভারত ও পশ্চিম নেপালে বংশবৃদ্ধি করে এবং উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে শীতকাল পরিযায়ী হয়ে আসে। এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল হলো নিচু এলাকার বন এবং আর্দ্র পাহাড়ি বন।
সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠী
পাখিটির প্রধান খাবার পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ। এরা বাসা বাঁধে সাইবেরিয়ার তাইগ্যা অঞ্চলে।
শীতের সময় এরা বাংলাদেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। শীতকালে সারাদেশ জুড়ে নলখাগড়ার ঝাড়, ঝোপঝাড়, ঘন গুল্ম, বেড়া এবং জলাভূমির কিনারা ও জলাশয় আশেপাশে এদের দেখা মেলে।
নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস
নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস উত্তর আমেরিকা, ইউরেশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার নাতিশীতোষ্ণ ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলজুড়ে প্রজনন করে।
এই হাঁসগুলো জলাভূমিতে বসবাস করে এবং জলজ উদ্ভিদ ও ছোট প্রাণী আহার করে; এরা দলবদ্ধভাবে বা বিভিন্ন আকারের ঝাঁক বেঁধে থাকতে পছন্দ করে। শীতের শুরুতে এরা বাংলাদেশে পরিযায়ী হয়ে আসে
রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুঁটি ভুতিহাঁস
রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুটি ভুতিহাঁস ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এরা বিস্তৃত, প্রায় ৩০ লক্ষ ৬০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাস। শীতে এরা বাংলাদেশে পরিযায়ী হয়ে আসে।
ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরা
ইউরেশীয় রাইনেক বা মেঠো কাঠঠোকরা মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে প্রজনন করে। এদের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীই পরিযায়ী।
এরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আফ্রিকা এবং ইরান থেকে শুরু করে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে শীতকাল অতিবাহিত করে।
এরা মূলত খোলা গ্রামাঞ্চল, বনভূমি ও ফলের বাগানে বেশি বিচরণ করে।