পত্রিকা: 'বেনজীরকে ফেরত দিতে সম্মত দুবাই'

'বেনজীরকে ফেরত দিতে সম্মত দুবাই' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ।
প্রত্যর্পণের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বেশ কিছু নথিপত্র ও তথ্য-উপাত্ত চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার সহযোগিতায় সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে পুলিশ ও দুদক। সোমবার দুবাইয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের চিঠির উত্তর পাঠানোর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) রেজাউল করিম বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার সময়সীমা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। দুবাই পুলিশের কাছে আমরা যে চিঠি দিয়েছিলাম, সেটির জবাবে তারা কিছু তথ্য-উপাত্ত চেয়েছে।
সেগুলো সাধারণ নথিপত্র বা ডকুমেন্ট। দুদক থেকে সেগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুতই সেগুলো দুবাই পুলিশকে সরবরাহ করা হবে। প্রক্রিয়াটি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।

টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম 'WASHINGTON SEEKS CLARITY ON DHAKA'S FOREIGN POLICY' অর্থাৎ 'ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা চাইছে ওয়াশিংটন'।
খবরে বলা হচ্ছে, চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সের্গেই গোর।
সফরকালে গোর সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরের প্রস্তুতি চলছে। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে সফরটি হবে।
মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ২৮শে জুলাই ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। মার্কিন কূটনীতিকের কর্মসূচি তার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাস পর সফরে আসছেন মার্কিন এই কূটনীতিক। এমন সময় তিনি সফরে আসছেন যখন চীন, তুরস্ক, সৌদি আরব, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি পরাশক্তির সঙ্গে বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'পে-স্কেল বাস্তবায়নের চাপে হিমশিম সরকার' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেয় জাতীয় বেতন কমিশন। ওই অর্থবছরে (২০২৫-২৬) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হয়েছে ৮৫ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা।
আর নতুন পে-স্কেল চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়ন করতে হলে ১ লাখ ৬ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে।
চলতি অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে সরকারের পরিচালন ব্যয় ৬ লাখ কোটি টাকার ওপরে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ আগের হিসাবের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের পরিচালন ব্যয় বাড়িয়ে ৬ লাখ কোটি টাকার সঙ্গে আরও প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা যোগ করতে হবে। সেই সঙ্গে বাজেটের মোট অঙ্ক অতিক্রম করবে ১০ লাখ কোটির সীমা।
দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে ক্ষত-বিক্ষত অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করে একটি ঘাটতি বাজেট নিয়ে নির্বাচিত বিএনপি সরকার প্রথম অর্থবছরে পদার্পণ করেছে। তার ওপরে ১৫৬ শতাংশ ব্যয়বৃদ্ধির পে-স্কেল বাস্তবায়নের তাগিদ ও নীতিগত অবস্থান কঠিন চাপে ফেলেছে সরকারকে।

'জুলাই - আগস্ট হত্যার বিচার: মামলা বাড়ছে , রায় কম' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রায় দুই বছরে ছয়টি মামলার রায় হয়েছে। বর্তমানে দুই ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে ২০টি মামলা।
৩৮ অভিযোগের তদন্ত চলার পাশাপাশি তদন্তের জন্য বাছাই করা হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক অভিযোগ। এগুলোর বাইরে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা আছে আরও কয়েক শ অভিযোগ। অর্থাৎ ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়বে।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী একটি মামলা নিষ্পত্তি হতে কয়েক মাস লাগছে। মামলা বাড়লে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষাও দীর্ঘ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব মামলার দ্রুত বিচার চান জুলাই শহীদদের পরিবার, আহত জুলাই যোদ্ধা ও ভুক্তভোগীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে মামলা বিবেচনায় ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। বর্তমান ও সাবেক চিফ প্রসিকিউটররাও তা মনে করেন।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে বলেছেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা, প্রসিকিউটর, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লজিস্টিক সহায়তা আরও বাড়ানো হবে।

'ডেঙ্গুর ধরন পাল্টেছে সংক্রমণ-মৃত্যুঝুঁকি বাড়তে পারে' সমকালের শিরোনাম।
চার বছর ধরে দেশে ডেঙ্গু ভাইরাসের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ধরন (সেরোটাইপ) ছিল ডেনভ-২। তবে চলতি বছর সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন আধিপত্য দেখা যাচ্ছে ডেনভ-৩ সেরোটাইপের।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, এ বছর, বিশ্লেষণ করা নমুনার ৯১ দশমিক ৫ শতাংশে ডেনভ-৩ ও ৮ দশমিক ৫ শতাংশে ডেনভ-২ শনাক্ত হয়েছে। অন্য কোনো সেরোটাইপ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সারাদেশে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে ১৬ই জুলাই এক দিনে সর্বোচ্চ দুজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুর সেরোটাইপে এমন পরিবর্তন বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। কারণ, আগে ডেনভ-২-এ আক্রান্ত হয়ে যাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছিল, তারা এখন ডেনভ-৩-এ নতুন করে আক্রান্ত হতে পারেন।
দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। আইইডিসিআর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ৭১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে এ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

'সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, তীব্র গ্যাসসংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
আবার সরবরাহ লাইনে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় আবাসিক গ্রাহকদের বাসাবাড়িতেও ঠিকমতো রান্না হচ্ছে না। অথচ এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সিস্টেম লসের নামে প্রতিদিনই হিসাবের বাইরে চলে যাচ্ছে প্রায় ২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা।
বছরে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় পাঁচ হাজার ১১০ কোটি টাকা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুমোদিত কারিগরি ক্ষতির বাইরে এই পুরো অংশই মূলত গ্যাস চুরি, অবৈধ সংযোগ ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার ফল।
অন্যদিকে এই বিপুল অপচয়ের বোঝা সামলাতে সরকারকে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত আট বছরে গ্যাস খাতে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।

'হামলা-মামলা, দখলের চেষ্টায় ভালুকার সংসদ সদস্যের নাম' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ময়মনসিংহের ভালুকার বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান দখলের চেষ্টা ও চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় বিএনপির নেতা ফখর উদ্দিন আহমেদ ওরফে বাচ্চুর বিরুদ্ধে।
তখন দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিব।
তবে বছরখানেকের মধ্যে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি পান ফখর উদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ময়মনসিংহ-১১ আসন (ভালুকা উপজেলা) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
এখন তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপিরও আহ্বায়ক। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন করে দলীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নাম আসছে ফখর উদ্দিনের।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নানা ধরনের অনৈতিক অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিনকে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে গত শনিবার তাকে শোকজ করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Heavy loads on tender shoulders' অর্থাৎ 'কোমল কাঁধে ভারী বোঝা'।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবার লিখিত পরীক্ষা চালুর সরকারি সিদ্ধান্তে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই তাদের সন্তানদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট টিউটরের সহায়তা নিচ্ছেন।
সরকারি স্কুলগুলোতে লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতির পরিবর্তে এই পরীক্ষাগুলো চালু হতে যাচ্ছে।
অভিভাবকদের উদ্বেগ দূর করতে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন গত মাসে বলেছিলেন, ছোট শিশুদের ভর্তির প্রক্রিয়া করা সহজ হবে । এই সুযোগ কোচিং বা প্রাইভেট টিউশনকে উৎসাহিত করবে না।
তবে রাজধানীর কয়েকটি কোচিং সেন্টার ঘুরে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিপ্রত্যাশীদের জন্য তারা ইতিমধ্যেই বিশেষ কোর্স এবং নির্দিষ্ট স্কুলের জন্য আলাদা নির্দেশনার ব্যবস্থা করছে। অভিভাবক ও শিক্ষাবিদেরা বলছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে শিশুদের ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে।

'পাহাড়ে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোপন তৎপরতা আরাকানের' মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর হাতছাড়া হওয়া মংডু ও বুথিডংয়ের কৌশলগতভাবে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল। অন্য দিকে এই সুযোগে সীমান্তের ওপার থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢুকছে অত্যাধুনিক ভারী অস্ত্রের চালান।
মিয়ানমার সীমান্তের অরক্ষিত অংশ ও নাফ নদী ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির মাধ্যম রকেট লঞ্চার, একে-৪৭, হ্যান্ড গ্রেনেড এবং মাইনের মতো ভারী অস্ত্র পাচার হচ্ছে বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র জানিয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পাহাড়ি যুবক ও স্থানীয় আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী 'আরাকান আর্মির' (এএ) পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে।
ফলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নতুন করে ঘনীভূত হচ্ছে গভীর নিরাপত্তা সঙ্কট। গোয়েন্দা সংস্থা ও সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সাম্প্রতিক তথ্যে এই চাঞ্চল্যকর চিত্র উঠে এসেছে।
ওই সূত্র জানায়, পাহাড়ের সশস্ত্র আঞ্চলিক সংগঠন ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো প্রায় সেনাবাহিনীকে লক্ষ করে গুলি করে। মূলত এসব অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ অবৈধ পথে আনার ফলে পাহাড়কে অশান্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠছে সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো।

'তেলাপোকা পার্টির কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি' মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, শিক্ষায় দুর্নীতি এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকে ধাপে ধাপে তেলাপোকা জনতা পার্টি এগিয়ে নিয়ে চলেছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রতি প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে সমর্থন জানিয়েছে। এগিয়ে এসে পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্টজনরাও। এই আবহে তেলাপোকা জনতা পার্টি সংসদ অভিযান কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল।
এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। সংসদ ভবনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দলের সাংসদেরা। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও।
এই পরিস্থিতিতে সিজেপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী অভিযানে যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা নামিয়েও বিক্ষোভকারীদের দমানো যায়নি।
এমন কি মিছিল আটকাতে লাঠি, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার ও ব্যারিকেড তৈরি করেও তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)র সংসদ অভিযান রুখতে পারেনি পুলিশ।

'নতুন খাত ও দেশের বাইরের গন্তব্যে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে গড়া পুঁজি ও সম্পদ' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের রফতানি খাতে পরিণত করা উদ্যোক্তারা কারখানার উৎপাদন ও সম্প্রসারণেই মনোযোগী ছিলেন।
তারা লভ্যাংশ পুনরায় বিনিয়োগ করেছেন উৎপাদন বাড়াতে, কারখানার সক্ষমতা বাড়িয়েছেন। প্রতি ইউনিটে সেন্টের ভগ্নাংশ মেপে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু এখন সেই যুগের অবসান ঘটছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাশাপাশি পোশাক শিল্পে গড়ে ওঠা পুঁজি ও সম্পদ এখন ক্রমেই দুবাই, সিঙ্গাপুর ও লন্ডনের আবাসন, আর্থিক সেবা, কৃষিভিত্তিক ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে ছড়িয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের শিল্পোদ্যোক্তারা নীরবে এমন বহুমুখী বিনিয়োগ পোর্টফোলিও গড়ে তুলছেন, যার ধরন গাজীপুরের কারখানাকেন্দ্রিক ব্যবসার চেয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের পারিবারিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।









