আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'পুলিশ কর্তাদের সম্পদে চোখ গোয়েন্দাদের'
দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর— পুলিশ কর্তাদের সম্পদে চোখ গোয়েন্দাদের।
এই খবরে বলা হয়েছে, চাকরির বেতনের সঙ্গে সহায়-সম্পদ ও জীবনযাপনের মিল না থাকায় সন্দেহভাজন পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়ে তদন্ত করছে দুদক ও গোয়েন্দা সংস্থা।
এরই মধ্যে একটি তালিকার কাজ গুটিয়ে আনা হয়েছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সরকারের হাইকমান্ডের সিগন্যাল এলেই তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ব্যবস্থা। এমনকি নজরদারিতে তাদের রাখা হয়েছে ।
এই তালিকায় সাবেক একাধিক আইজিপিসহ বর্তমান কর্মকর্তারাও রয়েছেন। তারা ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। পিআরবিসহ প্রচলিত যাবতীয় বিধি লঙ্ঘন করে পুলিশের কেউ কেউ রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের একটি অসাধু সিন্ডিকেটের নানা অনিয়ম নিয়ে দুদক ও গোয়েন্দা সংস্থার কাছে অভিযোগ এসেছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে যাচাইবাছাই চলছে।
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন— সমকালের প্রধান সংবাদ এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে, ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তার মরদেহ উদ্ধারের খবর গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ছিল।
গত জুলাইয়ে এক পড়কাস্টে দেওয়া তার বক্তব্যের ভিডিও অনেকে শেয়ার করেন। তাতে তিনি ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে দেশত্যাগের ভিডিওসহ নানা বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন।
এর আগে, একটি পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে তাহসিফের প্রসঙ্গ আসে। তাতে বলা হয়েছে, তিনি শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের ভিডিওটি প্রচার করেছেন। বিদেশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট ছিল, সেখানেও তাহসিফের নাম আছে।
তবে, ওই সময় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক প্রতিবাদলিপিতে বলেছিল, বাস্তবে এ কর্মকর্তাকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিমানবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধিমালার আওতায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবসরে পাঠানো হয়েছে। যার সঙ্গে ওই অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
এদিকে, তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম গতকাল মর্গের সামনে সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— Police inaction under scrutiny: MP Aziz, sons rule Natore through fear; অর্থাৎ নাটোরে এমপি আজিজ পরিবারের রাজত্ব, উদাসীন পুলিশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম খুন হওয়ার পর নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল আজিজ এবং তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নির্যাতন, ঠিকাদারি দখল ও ক্ষমতা অপব্যবহার নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছে এলাকাবাসী।
বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুরের মানুষের অভিযোগ, এমপি আজিজ ও তার দুই ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু এবং মাহমুদুজ্জামান সোহাগ সরকারি অফিসগুলোতে সব কাজে প্রভাব বিস্তার করতেন। তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা বিলিবণ্টন ও কৃষিজমিতে জোর করে পুকুর খনন করতেন।
এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারদের জিম্মি করে রাখারও অভিযোগ আছে।
স্থানীয়দের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ, এই পরিবার একটি 'টর্চার সেল' চালাত। সেখানে লোকজনকে বেঁধে রেখে মারধর ও সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া হতো।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ সবকিছু জেনেও এই পরিবারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে জনগণের অভিযোগ।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে এমপি আজিজ বলেন, তিনি বা তার ছেলেরা কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তার দাবি, রাজনৈতিক শত্রু এবং দলের মনোনয়ন না পাওয়া মানুষেরা তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh gets 3 more years before LDC graduation; অর্থাৎ বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর পেছাল।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ আরও তিন বছর পেছাল। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে এলডিসি উত্তরণ হবে বাংলাদেশের। ফলে বাংলাদেশ প্রস্তুতির জন্য আরও তিন বছর সময় পেল।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ অনুমোদন দেয়।
উরুগুয়ের উত্থাপিত একটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দেশটি বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেছিল।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্ধিত সময়কালে কাঠামোগত দুর্বলতা কাঠানো, রপ্তানি সক্ষমতা জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধায় আসতে যাওয়া পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে বাংলাদেশ।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— দেশে চাকরির বাজার সংকুচিত, তরুণরা ঝুঁকছেন 'গিগ' জবে।
এই খবরে বলা হয়েছে, ফ্রিল্যান্সিং, রাইডশেয়ারিং, খাবার সরবরাহ, অনলাইন কনটেন্ট তৈরি, ই-কমার্স ও অ্যাপভিত্তিক নানা কাজে যুক্ত হচ্ছেন দেশের অনেক উচ্চ শিক্ষিত ও বেকার তরুণ। এসব কাজ 'গিগ' জব নামে পরিচিত।
গিগ জবে কর্মীরা সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ, প্রকল্প, অর্ডার বা সেবার ভিত্তিতে পারিশ্রমিক পান।
এসব কাজে সব সময় স্থায়ী নিয়োগের প্রয়োজন হয় না। প্রযুক্তিনির্ভর প্লাটফর্মের মাধ্যমে কর্মী ও গ্রাহকের মধ্যে সংযোগ তৈরি হওয়ায় এ কর্মসংস্থানের সুযোগ আরো বিস্তৃত হয়েছে।
তবে এ খাতের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে আয় অনিশ্চয়তা, সামাজিক সুরক্ষার অভাব এবং শ্রমিকের অধিকার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।
দেশের শ্রমবাজারে গত এক দশকে এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ৮৭ লাখ তরুণের। বেকারদের বড় অংশ নিজেদের কর্মসংস্থান খুঁজে নিতে রাইডশেয়ারিং কিংবা ফ্রিল্যান্সিং কিংবা ফুড ডেলিভারির মতো পেশা বেছে নিয়েছে।
উচ্চ হারে বেকারত্ব, সীমিত কর্মসংস্থান এবং বাড়তি আয়ের প্রয়োজন গিগ জবের প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— এসআরবির অভিযানের সময় তরুণের মৃত্যু, গুলি করেছে কে।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্ত্রীকে তাড়াতাড়ি রান্না করতে বলে বলে ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন মারুফ ওরফে দুখু মিয়া। কিছুক্ষণ পর খবর আসে, তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মারুফ। ওই সময় এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ছিলেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যরা। অভিযানের এক পর্যায়ে এসআরবির সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে আকাশের দিকে চারটি ফাঁকা গুলি ছুড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির কর্মকর্তারা।
অভিযানের সময় গোলাগুলি এবং এক তরুণের মৃত্যু ঘটলেও প্রাণঘাতী গুলিটি কার অস্ত্র থেকে বেরিয়েছিল, তা নিয়ে একধরনের রহস্য তৈরি হয়েছে।
নিহত তরুণের স্বজনেরা বলছেন, গোলাগুলির শব্দ শুনে বাইরে দেখতে গিয়েছিলেন মারুফ; এরপরই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তবে কারা গুলি করেছে, সেটি তারা বলতে পারছেন না। শুধু জানিয়েছে, দূর থেকে দুই পক্ষের 'ঝামেলা' দেখার সময় মারুফ গুলিবিদ্ধ হন।
তার মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছে।
শিক্ষায় ৬ হাজার কোটির প্রকল্প— আজকের পত্রিকার প্রধান খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এছাড়া, আইসিটি ও টেকনোলজি ল্যাব স্থাপন এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ হাজারের বেশি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।
প্রস্তাবিত 'নেক্সটজেন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রোগ্রাম' প্রকল্পের আওতায় এসব কাজ করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নের এই বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় হাজার ৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরে তিন হাজার ৩৯৭ কোটির কিছু বেশি, মাদ্রাসা ও কারিগরি স্তরে দুই হাজার ৩৭৩ কোটি এবং প্রাথমিক স্তরে ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পগুলো অনুমোদন পেলে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় ধরনের অগ্রগতি হবে। কেননা, এ প্রকল্পের আওতায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।
আর নতুন ভবন নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান শ্রেণিকক্ষ ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ ও সংস্কার করে 'সক্রিয়' শ্রেণিকক্ষে রূপান্তর করা হবে, যা এ প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Over 1 lakh teaching posts vacant at schools, colleges; অর্থাৎ স্কুল-কলেজে এক লাখেরও বেশি শিক্ষকের পদ খালি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অন্তত ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২৫টি শিক্ষকের পদ খালি পড়ে আছে, যার ফলে সারাদেশে শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৩ হাজার, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৫ হাজার ৩৭৪টি, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তিন হাজার ৪০৯টি, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আট হাজার ৪৮৬টি এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন হাজার ৬৫৬টি পদ খালি রয়েছে।
এই সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া এবং শিক্ষার মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
গ্রামীণ, দুর্গম ও চর এলাকায় এই সংকট আরও প্রকট। সেখানে শিক্ষার্থীদের প্রায়শই এমন শিক্ষকদের ক্লাসে অংশ নিতে হয়, যারা কি না অন্য বিষয়ে পড়েছেন।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— ভঙ্গুর দশায় মাধ্যমিক শিক্ষা।
এই খবরে বলা হয়েছে, একদিকে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কমছে শিক্ষার্থী। আবার শিক্ষকদের বড় একটি অংশের নেই পেশাগত প্রশিক্ষণ।
ইংরেজি ও গণিতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পাঠদান করছেন এমন শিক্ষক, যাদের স্নাতক পর্যায়ে ওই বিষয় পড়ার অভিজ্ঞতা নেই।
পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সংকট, বাল্যবিবাহ, প্রাইভেট-কোচিংনির্ভর পড়ালেখা, বারবার কারিকুলাম পরিবর্তন এবং দুর্বল শিখনমানের চাপ সামলাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
সব মিলিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তর মাধ্যমিক শিক্ষা বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৫ প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে উদ্বেগজনক এই চিত্র।
হানিফের মৃত্যুদণ্ড— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানি, প্ররোচনা ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে সহায়তার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে প্রথমটি প্রমাণিত হওয়ায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।
একই মামলার অন্য দু'টি অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে তিনি পলাতক রয়েছেন।
হানিফের বিরুদ্ধে আনা প্রথম অভিযোগের মূল বিষয় ছিল, চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তার ভূমিকা।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, তৎকালীন মতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি আন্দোলন দমনে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করেন এবং দলীয় নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে সেসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।