আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বড় বিজয় বিজেপি'র

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি - বিজেপি। বিজেপির বিরুদ্ধে 'ভোট চুরির' অভিযোগ করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে 'পদ্ম' ফুটেছে বলে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী'র। এরই মধ্যে একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘাতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সরাসরি কভারেজ

  1. পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ঘিরে যা যা হলো:

    • ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। বেসরকারি ফলাফলে দলটি দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে।
    • বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। নন্দীগ্রাম আসনেও বিজয়ী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মন্ত্রীও পরাজিত হয়েছেন।
    • পরাজয় মানতে অস্বীকার করে বিজেপির বিরুদ্ধে 'চুরির অভিযোগ' করেছেন মমতা ব্যানার্জী। বিজেপির এই জয়কে 'অনৈতিক' আখ্যা দিয়ে মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, ''বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন চুরি করেছে। বিজেপি জালিয়াতি করেছে। নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপি কমিশনে পরিণত হয়েছে।''
    • পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে!... জনগণের শক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে।”
    • পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস আর সিপিআই (এম) বিজয়ী হয়েছে দুইটি করে আসনে। অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্ট বিজয়ী হয়েছে একটি আসনে।
    • পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই দফার নির্বাচনে আসামে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়েছে বিজেপি।

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতা আজ এখানেই শেষ হলো। এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    আরো খবর ও বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখুনবিবিসি বাংলার মূল পাতায়।

  2. মমতা ব্যানার্জীর 'ঘরে' হারালেন শুভেন্দু অধিকারী

    শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হারলেন মমতা ব্যানার্জী। যে কেন্দ্র মমতা ব্যানার্জীর 'ঘর' বলে পরিচিত ছিল, সেই কেন্দ্রেই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে হারালেন বিজেপি নেতা ও একদা মমতা ব্যানার্জীর সহযোগী শুভেন্দু অধিকারী।

    ১৫ হাজারের বেশি ভোটে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরে কলকাতার শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্র থেকে সার্টিফিকেট হাতে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, “হিন্দুত্বের জন্য প্রাণ দেওয়া কর্মীদের এই জয় উৎসর্গ করলাম, মমতা ব্যানার্জীকে হারানো খুব দরকার ছিল।”

    এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জীর কাছেই অল্প ব্যবধানে হেরেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    এই নির্বাচনে এর মধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়েছে বিজেপি।

    রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পাওয়া তথ্যে, বিজেপি বিজয়ী হয়েছে ১৯০টি আসনে, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৬৪টি আসন। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিল ১৪৮টি আসন।

  3. তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজয়ী বিজেপি

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বেসরকারি ফলাফলে বিজেপি ১৬৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।

    অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিজয়ী হয়েছে ৫৯টি আসনে।

    যে ৬১টি আসনে ফলাফল ঘোষণা এখনো বাকি রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বিজেপি ৪১টি আর তৃণমূল কংগ্রেস ২০টি এগিয়ে রয়েছে।

    কংগ্রেস আর সিপিআই (এম) বিজয়ী হয়েছে দুইটি করে আসনে।

    অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্ট বিজয়ী হয়েছে একটি আসনে।

  4. বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন লুট করেছে, এই জয় অনৈতিক: মমতা ব্যানার্জি

    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ তুলেছেন।

    তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন চুরি করেছে। বিজেপি জালিয়াতি করেছে। নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপি কমিশনে পরিণত হয়েছে। আমরা বারবার এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কেউ শোনেনি।"

    মমতা ব্যানার্জি বলেন, "বিজেপির এই জয় অনৈতিক। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যোগসাজশে নির্বাচন কমিশন যা করেছে তা পুরোপুরি অনৈতিক। তারা জোরপূর্বক এসআইআর পরিচালনা করেছে। তারা অত্যাচার চালিয়েছে। তারা কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেপ্তার করেছে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।"

    পশ্চিমবঙ্গে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বিজেপি ১৩৬টি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং আরো ৭২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

    অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস ৪৯টি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং ৩০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

  5. তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পাঁচটি কারণ – বিবিসির বিশ্লেষণ

    পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা ব্যানার্জী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেননি – কিন্তু রাজ্যে যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসতে চলেছে সেই ইঙ্গিত একেবারে স্পষ্ট।

    পনেরো বছর ধরে একটানা ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল কংগ্রেসের এই নির্বাচনী বিপর্যয়ের কারণ কী হতে পারে?

    এ পর্যন্ত যে ফলাফল ও ট্রেন্ড পাওয়া গেছে, তা বিশ্লেষণ করে বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ এর পেছনে মূল পাঁচটি কারণকে চিহ্নিত করেছেন।

    এক, পশ্চিমবঙ্গের নারী ভোটের (যা ৫০ শতাংশেরও বেশি) বেশিটাই যে এতকাল মমতা ব্যানার্জীর দল পেয়ে এসেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী বা ‘সবুজ সাথী’র (ছাত্রীদের মধ্যে সাইকেল বিতরণ) মতো প্রকল্প তৃণমূল সরকারকে নারী ভোটারদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

    কিন্তু এবারে সেই ভোটব্যাঙ্কে অবধারিত ফাটল ধরেছে – যার একটা বড় কারণ হতে পারে নারী সুরক্ষার মতো ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের চরম ব্যর্থতা। দু’বছর আগেকার আরজিকর আন্দোলন এবারের ভোটে অবশ্যই প্রভাব ফেলেছে – যার একটা বড় প্রমাণ পানিহাটির মতো তৃণমুলের শক্ত ঘাঁটিতেও আরজিকর নির্যাতিতার মা বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

    দুই, এসআইআর বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ফলে যে ৯০ লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাতে তৃণমূল কংগ্রেসই যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তা এখন দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। এই তালিকায় লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটার বাদ পড়েছেন সেটা যেমন ঠিক – কিন্তু বহু ভুয়া বা মৃত ভোটারেরও নাম যে বাদ পড়েছে তাতেও কোনো সন্দেহ নেই।

    তিন, পনেরো বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনে যে পরিমাণ দুর্নীতি, অপশাসন, দৈনন্দিন জীবনে কাটমানি ও ‘সিন্ডিকেট রাজে’র বাড়বাড়ন্ত এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগে উঠেছে, তা পশ্চিমবঙ্গে আর কোনো আমলে উঠেছে কি না সন্দেহ।

    এবারেও এসআইআরের কারণে রাজ্য জুড়ে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের যে অমানুষিক ভোগান্তি হয়েছে সেটাকে প্রচারের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জী, তার জন্য কোনো চেষ্টাই বাদ রাখেননি তিনি – কিন্তু দেখা গলে দুর্নীতি ও ব্যর্থতার অভিযোগকে ঢাকতে সেটা যথেষ্ঠ হল না।

    চার, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন মমতা ব্যানার্জীর একটানা নির্বাচনী সাফল্যের পেছনে একটা বড় কারণ হল রাজ্যের মুসলিমদের প্রায় একচেটিয়া সমর্থন তিনি পেয়ে এসেছেন।

    পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার মোটামুটি ৩০ শতাংশের কাছাকাছি মুসলিম – আর এর মধ্যে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটই বরাবর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়ে এসেছে। কিন্তু এবারে সেই প্রক্রিয়ার পাল্টা একটা হিন্দু ভোটের ‘কনসলিডেশন’ হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে – যার সুফল বিজেপি পেয়েছে, যে কারণে তারা মুসলিম-গরিষ্ঠ জেলা মালদা বা মুর্শিদাবাদেও বেশ কিছু আসন পেতে চলেছে।

    পাঁচ, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাজ্যের শাসক দল ভোটের সময় কিছু বাড়তি সুবিধা পেয়েই থাকে – যেটা এবারে তৃণমূল কংগ্রেস পায়নি বলেলই চলে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরের মুহূর্ত থেকেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের রাশ হাতে তুলে নিয়েছে, ঢালাওভাবে জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের তারা বদলে দিয়েছে।

    সেই সঙ্গে ভোটের বেশ ক’দিন আগে থেকেই রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে ২ লক্ষ ৪০ হাজারের বেশি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী – যে সংখ্যা ছিল অভূতপূর্ব। অনেকেই বলছেন, এই বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতির কারণেই ভোট এতো শান্তিপূর্ণ হয়েছে এবং মানুষ এতো নিশ্চিন্তে ও নিরুপদ্রবে ভোট দিতে পেরেছেন।

    অন্যভাবে বললে, নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তৃণমূল কংগ্রেসের বিপক্ষেই গেছে।

  6. পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে, এক্স হ্যান্ডেলে মোদি

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এখনো পর্যন্ত পাওয়া ফল অনুযায়ী বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

    বিজেপির এই ফল নিয়ে একটি বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে! ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে।”

    “আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রণাম জানাই। জনগণ বিজেপিকে এক অভূতপূর্ব রায় দিয়েছেন এবং আমি তাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমাদের দল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করবে। আমরা এমন একটি সরকার দেব, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।”

  7. অন্যান্য দলের ঝুলিতে কটি আসন?

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।

    এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, বিজেপির ঝুলিতে আছে ৩৩টি আসন, তৃণমূল জিতেছে ১০টি আসনে। যে আসনগুলিতে ইতিমধ্যে ফল ঘোষণা হয়েছে তার মধ্যে অন্যান্য দলগুলিও কয়েকটি আসন জিতেছে।

    যেমন কংগ্রেস প্রার্থী মোহতাব শেখ জিতেছেন ফারাক্কায়। আবার মুর্শিদাবাদের রেজি নগরে জিতেছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর।

    মুর্শিদাবাদের নওদা থেকেও ভোটযুদ্ধে সামিল হয়েছেন মি. কবীর। এর আগে তৃণমূলে ছিলেন তিনি।

  8. বিজেপি- তৃণমূল কার ঝুলিতে কটি আসন

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৭টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা এবং নয়টিতে জিতেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা।

    উত্তর ২৪ পরগণার খড়দহ, হাওড়ার জগতবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ, কালিম্পং, দার্জিলিং, বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমানের নদীয়ার নাকাশিপাড়া, মেদিনীপুর, বাঁকুড়ার শালতোরা ও রানিবাঁধসহ ২৭টি আসন জিতেছে বিজেপি।

    অন্যদিকে, তৃণমুলের ঝুলিতে এখনো পর্যন্ত নয়টি আসন এসেছে। এই তালিকায় রয়েছে ইটাহার, মুর্শিদাবাদের সুজাপুর ও শামসেরগঞ্জ, উত্তর দিনাজপুরের ভরতপুর, উত্তর ২৪ পরগণার দেগঙ্গা।

  9. পশ্চিমবঙ্গে বিজয়-মিছিল না করার নির্দেশনা

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

    আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে কোনো দলই কোনো বিজয়-মিছিল, উৎসব বা জমায়েত করতে পারবে না। সমগ্র রাজ্য জুড়েই এই নিয়ম বহাল থাকবে।

    তবে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামীকাল অর্থাৎ পাঁচই মে থেকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করা যাবে।

  10. গণনা শেষ না হতেই সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের

    পশ্চিমবঙ্গে এখনও শেষ হয়নি বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর গণনাপর্ব। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘাতের খবর উঠে আসছে।

    তৃণমূল কংগ্রেসের 'দুর্গ' বলে পরিচিত একাধিক অঞ্চল দখল করতে চলেছে বিজেপি বলে অভিযোগ করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

    ইতিমধ্যে ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীর উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট জমা পড়েছে।

    অন্যদিকে, কোচবিহার জেলার দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি অঞ্জলি সিং।

    এছাড়া, বাঁকুড়াতেও কাউন্টিং সেন্টার চত্বরে তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

    দুই দলই দুই দলের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।

    তবে এই নিয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  11. পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হতেই বিজেপি শিবিরে উল্লাস আর তৃণমূলে বিষাদ

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল এখনো পর্যন্ত যা পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট যে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে ভারতের এ রাজ্যে।

    অর্থাৎ, ব্যাপক হারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

    দুই শিবিরে সম্পূর্ণ দুই ধরনের ছবি ধরা পড়ল বিবিসি-র ক্যামেরায়...

  12. দু’টি আসনে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা

    পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থেকে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই আসন থেকে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা।

    তৃণমূলের সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ১৪৭৯৮ ভোটে হারিয়েছেন। মি. পাঁজার প্রাপ্ত ভোট ৯৬৫৫৯।

    অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা থেকেও জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। জিতেছেন তৃণমূলের রেয়াত হোসেন সরকার। তিনি মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়েছেন।

    তিনি ৫৬,৪০৬ ভোটে হারিয়েছেন সিপিআই(এম)-এর মহামুদল হাসানকে।

  13. মমতাকে নিশানা চম্পাই সোরেনের

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন ঝাড়খণ্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন। ।

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মমতা ব্যানার্জীকে কড়া ভাষায় বলেছেন, “অনুপ্রবেশকারী ও তোষণ নীতির জোরে ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের জন্য কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে।”

    নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রাথমিক প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি দাবি করেন যে, রাজ্যের এমন বহু আসনেই বিজেপি এগিয়ে আছে, যেখানে ২০১১ সাল থেকে টিএমসি ক্ষমতায় রয়েছে।

  14. এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে কে কত ভোট পেল?

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের গণনা সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছে।

    রাজ্যের ২৯৪টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল ২৩ এবং ২৯শে এপ্রিল।

    প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

  15. বহরমপুরে পিছিয়ে অধীর চৌধুরী

    অষ্টম রাউন্ড ভোট গণনার পর মুর্শিদাবাদে পিছিয়ে রয়েছেন কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

    প্রথম দিকে ওই আসন থেকে তৃণমূলের নাড়ু গোপাল মুখার্জী এগিয়ে থাকলেও এখন বিজেপির সুব্রত মৈত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরীর চেয়ে ৫,৩৬২ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

    মালদহের মালতীপুর থেকে তৃণমূলের আব্দুর রহিম বক্সী বিজেপি প্রার্থী আশিস দাসের চেয়ে ২৫,২০০ ভোটে এগিয়ে।

    আসানসোল দক্ষিণে তৃণমূলের তাপস ব্যানার্জীর চেয়ে ৩,৬৯৪ ভোটে এগিয়ে আছেন বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল।

    শিলিগুড়ি থেকে তৃণমূলের গৌতম দেবের চেয়ে ৫৩,৩৭২ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির সজল ঘোষ।

  16. আসামে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জালুকবাড়ি বিধানসভা আসন থেকে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন। এ আসনে ছয় দফা ভোট গণনার পর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ২৩,৯৩১ ভোটে এগিয়ে আছেন বলে নির্বাচন কমিশনের তথ্যে জানা গেছে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যে জানা যাচ্ছে, এখনো পর্যন্ত তিনি মোট ৩৯,২১৪টি ভোট পেয়েছেন। ওই আসনে কংগ্রেস প্রার্থী বিদিশা নেওগ পেয়েছেন ১৫,২৮৩টি ভোট।

    টানা ২০০১ সাল থেকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জিতে আসছেন। এইবারও সে ধারা বজায় থাকে কি না সেদিকে সকলের নজর থাকবে।

  17. কলকাতায় কোথায় কোন প্রার্থী এগিয়ে?

    নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য বলছে, এ মুহূর্তে ভবানীপুর আসনে এগিয়ে রয়েছেন মমতা ব্যানার্জী, পিছিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধকারী।

    তবে, নন্দীগ্রামে এগিয়ে রয়েছেন মি. অধিকারী।

    অন্যদিকে, দমদম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পিছিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ব্রাত্য বসু, এগিয়ে আছেন বিজেপির অরিজিত বক্সী।

    দমদম উত্তর থেকে এর আগে তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এগিয়ে থাকলেও এ মুহূর্তে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির সৌরভ শিকদার।

    পানিহাটি থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ। তিনি আরজি কর হাসপাতালে নিহত চিকিৎসকের মা।

    অন্যদিকে, কলকাতা বদন অঞ্চল থেকে এগিয়ে ফিরহাদ হাকিম, পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপির রাকেশ সিং।

    রাসবিহারী আসন থেকে এখন এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত, পিছিয়ে তৃণমূলের দেবাশিস কুমার।

    সোনারপর দক্ষিণ থেকে এগিয়ে আছেন বিজেপির রূপা গাঙ্গুলি, পিছিয়ে লাভলী মৈত্র।

    অন্যদিকে, টালিগঞ্জ আসন থেকে এগিয়ে তৃণমূলের অরূপ বিশ্বাস।

  18. এখনও পরাজয় মেনে নিতে প্রস্তুত নন মমতা

    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির তুলনায় তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ জানিয়ে দিলেন, তিনি বা তার দল পরাজয় মেনে নিতে এখনও প্রস্তুত নন।

    তিনি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, “কাউন্টিং এজেন্টরা কেউ গণনাকেন্দ্র থেকে সরে আসবেন না। তৃণমূল কংগ্রেস এখনো ৭০ থেকে ১০০ আসনে এগিয়ে আছে, যেগুলো দেখাচ্ছে না।” নির্বাচনি ফলাফলের নামে ‘গোটাটাই মিথ্যে জিনিস খাওয়াচ্ছে’ বলেও তিনি দাবি করেন।

    নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ’ইচ্ছেমতো খেলছে’ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী আরো বলেন, “আমি প্রথম থেকেই বলছি ওদেরগুলো (বিজেপি) আগে দেখাবে, পরে আমাদের (তৃণমূলের) জেতা আসনগুলো দেখাবে।” ‘সূর্যাস্তের পর’ তৃণমূল ঠিকই জিতবে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। দলের নেতা-কর্মী ও গণনাকেন্দ্রে যে এজেন্টরা আছেন তাদের ‘বাঘের বাচ্চার মতো লড়ে যেতে’ও আহ্বান জানান তিনি।

  19. বিজেপির কার্যালয়ে ঝালমুড়ি বিতরণ

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। প্রাথমিক কয়েকটি রাউন্ডের পর বিজেপি ১৮৮টি আসনে এগিয়ে এবং তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে ৯৮টি আসনে। দিনের শেষে ছবি কেমন হয়, সেদিকে সকলের নজর রয়েছে।

    ইতিমধ্যে বিজেপি কার্যালয়ে উৎসবের মেজাজ দেখা গিয়েছে। বিবিসি সংবাদদাতা ইশাদ্রিতা লাহিড়ী জানিয়েছেন, একদিকে যেমন মিষ্টি রয়েছে, তেমনই ঝালমুড়িতেও মেতেছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ননেদ্র মোদী। নিজেই সামাজিক মাধ্যমে তার ছবিো পোস্ট করেন। মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছিল তার ছবি ও ভিডিও।

    বিরোধীরা অবশ্য তাকে এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তার জবাবও অবশ্য দিয়েছিলেন মি. মোদী। সোমবার সেই ঝালমুড়িই বিতরণ করা হচ্ছে বিজেপি কার্যালয়ে।

  20. ভোটকেন্দ্রে গণনা চলছে

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে দুই দফা ভোট গ্রহণ ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাটের ১৫টি বুথে দ্বিতীয়বার ভোট গ্রহণ হয়েছে।

    ১৯৩টি আসনে এখন ভোট গণনা চলছে। ফলতায় অবশ্য ২১শে মে পুনঃনির্বাচন হওয়ার কথা এবং তার ভোট গণনা হবে ২৪শে মে।

    রাজ্যের কয়েকটি ভোট গণনা কেন্দ্রের ছবি দেখে আসা যাক -