যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলেন ট্রাম্প। এদিকে সেনেটের দুটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ফল আসতে দেরি হতে পারে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
সরাসরি কভারেজ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমেছে
ছবির উৎস, Bloomberg via Getty Images
ছবির ক্যাপশান, জ্বালানি তেলের দাম গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্পের দলের পরাজয় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান বা উত্তেজনা প্রশমনের দিকে পরিস্থিতিকে
এগিয়ে নিতে পারে কি না, ব্যবসায়ীরা তা নিয়ে সন্দেহে আছেন। এর মধেই বৈশ্বিক তেলের
দাম আরও কমছে।
বুধবার তেলের দাম ৮ শতাংশেরও বেশি কমে যায়, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন যে
জ্বালানির মূল্যের ওপর সংঘাতের প্রভাবই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ
হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তেলের দাম গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে
এসেছে।
কানাডিয়ানদের জন্য মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল একটি 'বিজয়'
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, কানাডার অটোয়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রিভি কাউন্সিল
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের যে ফল এসেছে, অনেক কানাডিয়ানই হয়তো এমনটাই চেয়েছিলেন। কারণ ডেমোক্র্যাটদের
ব্যাপক জয়কে আংশিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক মিত্রদের ওপর ডোনাল্ড
ট্রাম্প আরোপিত শুল্কের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড বুধবার সকালে বলেন, "আমি আনন্দে রাস্তায় ডিগবাজি খাচ্ছিলাম।"
তিনি একে "কানাডার জন্য একটি বিজয়" বলে বর্ণনা করেন।
মঙ্গলবার রাতের এই ফলাফল হয়তো খুব শিগগিরই কানাডাকে ওই
শুল্ক থেকে স্বস্তি এনে দেবে না। তবে বাণিজ্য আলোচনা আবার শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক
পরিবর্তনগুলো অটোয়ার জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে, যাতে তারা ভালো কোনো সমঝোতা করতে পারে, এমন প্রত্যাশা রয়েছে।
ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিজ ও চাক শুমার, যাদের রাজনৈতিক প্রভাব এখন আরও বেড়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কানাডার ওপর আরোপিত শুল্ক কমানোর
পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
তবুও কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ শুল্কনীতিতে খুব
বেশি পরিবর্তন আনতে নাও পারে। কারণ ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের বেশিরভাগই কংগ্রেসের
অনুমোদন ছাড়াই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে।
তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক নির্বাচনী রাত
পার করার পর রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে শুরু হয়েছে আত্মসমালোচনা এবং একে অপরের ওপর
দায় চাপানোর প্রবণতা।
সারা দেশের ভোটাররা তাদের ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট করে
দিয়েছিলেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে
যাওয়ার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিচার হবে এই নির্বাচনে।
এখন তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কিছু মিত্র সেই সংঘাত থেকে নিজেদের
দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ভাইস প্রেসিডেন্ট
জেডি ভ্যান্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, "আমরা হেরেছি যুদ্ধের কারণে। আর এখান থেকে আমাদের
কোথায় যাওয়া উচিত, সে বিষয়ে
যেকোনো সৎ আলোচনা সেখান থেকেই শুরু হতে হবে।"
হোয়াইট হাউজের নতুন বলরুমের নির্মাণস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে
কথা বলার সময় ট্রাম্প অনিচ্ছাসত্ত্বেও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সুযোগ পেলে
তিনি কোনো কিছুই ভিন্নভাবে করতেন না। তিনি বলেন, "আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারেন না।"
অনেকেই ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যকে ২০২৮ সালের
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘোষণার একটি অনানুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে
দেখছেন।
এই ফলাফলকে আরও দেখা হচ্ছে এমন একটি ইঙ্গিত হিসেবে যে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন 'মেক আমেরিকা
গ্রেট অ্যাগেইন (মাগা)' আন্দোলনের
সমাপ্তির সূচনা হয়তো যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষ করছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে কথা বলার সময় একজন
সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ডেমোক্র্যাটরা
আবার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তিনি কি পুনরায় অভিশংসিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
জবাবে তিনি বলেন, "একটুও না"।
তিনি বলেন, অভিশংসন
ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে "ধ্বংস" করে দেবে এবং সেটি হবে "কোনো কারণ
ছাড়াই অভিশংসন"।
তিনি বলেন,
"আমাদের দেশ এখন
তার ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও সফল।"
প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা যায়, ট্রাম্পকে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দুবার অভিশংসিত করেছিল, কিন্তু দুইবারই সেনেট তাকে রেহাই দেয়।
এরপর তিনি দ্রুত আবার হোয়াইট হাউজের বলরুম নির্মাণ
প্রকল্পের প্রসঙ্গে ফিরে যান। তিনি বলেন, "বিমগুলো ওপরে উঠতে দেখুন। এখন ঝাড়বাতির কথা কল্পনা করুন, মার্বেলের মেঝের কথা কল্পনা করুন।"
ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য দায়ী, এমন দাবি 'বেশিরভাগই সত্য': ট্রাম্প
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ট্রাম্প দাবি করেন, "একটি বলরুম থাকা প্রতিটি প্রেসিডেন্টেরই স্বপ্ন ছিল"
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হওয়ার পর হোয়াইট হাউজের
বলরুম নির্মাণস্থলে দাঁড়িয়ে প্রথম সরাসরি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের
জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।
ট্রাম্পকে ওই মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "বেশিরভাগই সত্য। এটি স্বল্পমেয়াদে জ্বালানির দাম
কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছিল।"
তবে তিনি বলেন, যুদ্ধের বিষয়ে
হলে তিনি আবারও একই সিদ্ধান্ত নিতেন। তিনি আরও যোগ করেন, ভোটারদের অসন্তোষের কারণ ছিল জ্বালানির দাম, যুদ্ধ নিজে নয়।
হোয়াইট হাউসের বলরুম থেকে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প রাজনীতি
বা মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি, তবে নিজের
প্রশাসনের সাফল্য হিসেবে যা দেখেন, তার কিছু তুলে
ধরেছেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, "শূন্য অবৈধ অভিবাসীকে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে," এরপর তিনি দ্রুত আবার বলরুম প্রকল্পের প্রসঙ্গে
ফিরে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের
চেয়েও বড় হওয়ার পরিকল্পনা করা এই স্থাপনাটি "ওয়াশিংটন ডিসির অন্যতম সেরা ভবন
হবে"।
তিনি নির্মাণকাজে কাজ করাকে প্রশান্তিদায়ক বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন,
"হোয়াইট হাউজ
আমেরিকার চূড়ান্ত প্রতীক। এটি নিখুঁত হতে হবে।"
"একটি বলরুম
থাকা প্রতিটি প্রেসিডেন্টেরই স্বপ্ন ছিল।"
এরপর তিনি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত স্টিলের কাঠামোর দৃঢ়তা এবং
ব্যবহৃত মার্বেল নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরজুড়ে ট্রাম্প বলরুম প্রকল্পের
পাশাপাশি ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব
দিয়েছেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার শেষ বার্তাটি ছিল লিংকন
মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুলের সামনে থেকে, যেখানে তিনি
পুলটির নতুন পাইপ ও আবরণ দেখাতে একাধিক ছবি ব্যবহার করেছিলেন।
তিনি বলেন,
"আমরা ডিসিকে
সুন্দর করে তুলেছি... আর সবাই এ নিয়ে কথা বলছে।"
ছবির উৎস, Getty Images
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ডাকে আসা ব্যালট হাতে গোনা হচ্ছে কিছু জায়গায়
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, হাতে গোণা হচ্ছে ডাকে আসা ব্যালট
যদিও মধ্যবর্তী নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল আমরা ইতোমধ্যে
জেনে গেছি, তবুও কয়েকটি
প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফল এখনও এতটাই কাছাকাছি যে সেগুলোর বিজয়ী ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি।
মিসিসিপির মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে, যেখানে সেনেট নির্বাচনের ফল অত্যন্ত অল্প ভোটের ব্যবধানে
নির্ধারিত হচ্ছে, সেখানে ডাকযোগে
পাঠানো ব্যালট আসতে থাকায় বিজয়ী কে হয়েছেন তা জানতে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে
পারে।
কিছু স্থানে এসব ব্যালট হাতেগণনা করা হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে কর্মকর্তারা এখনও ব্যালট
গণনা করছেন, যাতে নির্ধারণ করা যায়
শহরটির পরবর্তী মেয়র কে হবেন।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ডাকে আসা ব্যালট হাতে গোণার কারণে সময় বেশি লাগতে পরে
মিসিসিপি ও আলাস্কায় সেনেট নির্বাচনের ফল জানতে কয়েক দিন লাগবে
ছবির উৎস, getty images
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের বেশিরভাগ নির্বাচনের
ফল স্পষ্ট হয়ে গেলেও আরো সময় লাগতে পারে মিসিসিপি ও আলাস্কার সেনেট নির্বাচনের ফল আসতে।
মিসিসিপি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ারম্যান শেখ টেলর
বিবিসিকে বলেছেন, "নির্ভরযোগ্য
তথ্যের ভিত্তিতে আমার ধারণা, সোমবারের আগে
এই নির্বাচনের ফল নির্ধারিত হবে না।"
সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী স্কট কোলম এবং বর্তমান
রিপাবলিকান সেনেটর সিন্ডি হাইড-স্মিথের মধ্যকার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিজয়ী কে
হবেন, তা জানতে আরও কিছু সময়
লাগতে পারে।
মিসিসিপিতে ভোটের ব্যবধান অল্প হওয়ার ক্ষেত্রে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্গণনার ব্যবস্থা নেই। একই সঙ্গে প্রার্থীদেরও পুনর্গণনার
অনুরোধ করার সুযোগ দেওয়া হয় না।
এছাড়া, নির্বাচনের দিন
ডাকমোহর দেওয়া এবং তার পরবর্তী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে পৌঁছানো ডাকযোগে পাঠানো
ব্যালটও গণনার আওতায় আনা হয়।
এ কারণে অন্তত ১০ই নভেম্বরের আগে এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা
হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুলি রনস্কি।
রনস্কি বলেন,
"দুই প্রার্থীর
মধ্যে ভোটের ব্যবধান এতটাই সামান্য যে,
বাস্তবে যে
কোনো উপায়ে পাওয়া প্রতিটি ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতেই
হবে।"
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান এক হাজার ভোটের
মতো।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী
লড়াইগুলোর একটি, আলাস্কার সেনেট নির্বাচনের ফল জানতে কয়েক
সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সেখানে বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান এস সুলিভান
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলটোলার বিরুদ্ধে। বিতর্কের
জন্ম দেওয়া একটি মোড়ে তিনি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ড্যানিয়েল জে সুলিভান নামের
এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
ফল ঘোষণায় বিলম্ব হওয়ার একটি কারণ হলো আলাসকায় র্যাংকড-চয়েস
ভোটিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভোটাররা পছন্দের ক্রমানুসারে একাধিক
প্রার্থী নির্বাচন করতে পারেন। আর কোনো একক প্রার্থী যদি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা
অর্জন করতে না পারেন, তাহলে সর্বনিম্ন ভোট পাওয়া প্রার্থীকে
বাদ দিয়ে দ্বিতীয় দফায় ব্যালট পুনরায় গণনা করা হয়।
এর পাশাপাশি, ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট নির্বাচনী দপ্তরে
ফেরত আসার জন্য আলাসকা ১০ থেকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে থাকে।
নির্বাচনের রাতে সমর্থকদের উদ্দেশে পেলটোলা বলেন, "ফলাফল দ্রুত পাওয়া যাবে না, তবে আলাস্কার মানুষ
ধৈর্যশীল।"
বিবিসি বাংলার লাইভ
বিবিসি
বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর
পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।