লাইভ, 'ক্রসফায়ার' যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব: আইজিপি

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির। এদিকে, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

রিপোর্টিংয়ে তারেকুজ্জামান শিমুল, সম্পাদনায় ফৌজিয়া সুলতানা

  1. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির আলোচনার প্রস্তাবে যা বললো ইরান

    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
    ছবির ক্যাপশান, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই

    ইউরোপের তিন দেশ যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনার আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব আসেনি বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, “ইউরোপ নিজেই সমস্যার অংশে পরিণত হয়েছে”।

    “গত দুই বছরে ইউরোপীয় দেশগুলো কোনো গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেনি,”বলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াদেফুল ২৩শে অক্টোবর ইস্তানবুলে ইউরোপীয় ও আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেন প্রস্তুত।

    এরই প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়, তখনও ইউরোপীয় দেশগুলো এসব হামলার নিন্দা জানায়নি। বরং তারা এমন বিবৃতি দিয়েছে, যা তার ভাষায় “মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের প্রতি সমর্থনের” শামিল।

  2. 'ক্রসফায়ার' যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব: আইজিপি

    আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির
    ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আলী হোসেন ফকির

    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আলী হোসেন ফকির।

    সোমবার দুপুরে পুরনো ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    "কে আসবে, আপা কবে আসবে, কী হবে? ওইটা আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেখার বিষয় না। আমাদের দায়িত্ব, আইন-সংবিধান অনুযায়ী যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, সেইটাই আমরা করব," বলেন আইজিপি মি. ফকির।

    "যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাও করে, আমরা সেটাই করব,” যোগ করেন তিনি।

    পুলিশের সমালোচনা করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আইজিপি বলেন, "আমরা (পুলিশ) যদি লাঠিপেটা করি, বলবেন আমরা ফ্যাসিস্ট পুলিশ। আর আমরা যদি নীরবে থাকি, তাহলে বলবেন দুর্বল পুলিশ। তাহলে আমাকে তো কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে। এমপাওয়ার করতে হবে।

    “আপনারা সুখে, শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের কোনো বিকল্প নাই। যত বাহিনীই বলি, সেনাবাহিনী বলি, তারা দেশ রক্ষা করবে, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, ইন্টারনাল শৃঙ্খলা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সবকিছুই আপনার-আমার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। আপনারা পুলিশকেও ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা কইরেন না, নিজেরাও ব্ল্যাকমেইল হইয়েন না,” বলেন আইজিপি।

  3. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    গতকালের উল্লেখযোগ্য সব খবর দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

    বিবিসি বাংলায় দেশ-বিদেশের আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে।