পত্রিকা: 'চিকিৎসা খরচের চাপে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— Out-of-pocket medical bills push 1.08cr into poverty; অর্থাৎ চিকিৎসাবাবদ খরচের চাপে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও সুইডিশ দূতাবাসের সহায়তায় স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২২ সালে চিকিৎসাবাবদ খরচের কারণে বাংলাদেশের এক কোটি ৮ লাখেরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন, যা মোট জনসংখ্যার ছয় দশমিক চার শতাংশ।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে চিকিৎসাবাবদ নিজস্ব খরচের কারণে ৫৬ লাখ মানুষ (মোট জনসংখ্যার তিন দশমিক নয় শতাংশ) দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গিয়েছিল, ২০২২ সালে এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে জাতীয় দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ শতাংশ, যা ২০২২ সালে কমে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ দারিদ্র্যের হার অর্ধেকেরও বেশি কমেছে।

তবুও চিকিৎসাবাবদ খরচের কারণে আর্থিক সংকটের মুখে পড়া মানুষের হার ২০০৫ সালের ২৮ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৪১ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের বৈশ্বিক গড় হার ২৬ শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি।

যখন চিকিৎসাবাবদ নিজস্ব ব্যয় পরিবারের মৌলিক চাহিদা মেটানোর পর অবশিষ্ট আয়ের ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়, তখন সেই পরিবার আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে বলে গণ্য করা হয়।

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘের দ্বারস্থ শেখ হাসিনা— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ারদের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তার দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখায় গুরুতর উদ্বেগ জানিয়ে তিনি এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রশাসন প্রথমে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে বিএনপি সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা শুধু বহালই রাখেনি, বরং আনুষ্ঠানিক রূপও দিয়েছে।

এতে দাবি করা হয়েছে, উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাদেরকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়। ফলে ওই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও সর্বজনীন অংশগ্রহণমূলক ছিল না। এতে নির্বাচনের ফলাফলের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের পক্ষে বাংলাদেশের আদালতে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানানোও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং এর সমর্থকদের ওপর চলমান হামলার কারণে আইনজীবী নিয়োগ ও আইনি অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— ভর্তুকির ফাঁদে সার আমদানি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সার আমদানির ভর্তুকির টাকা সরকারের কাছে আটকে থাকায় ব্যাংকঋণ পরিশোধে চাপের মুখে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। এতে নতুন করে সার আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার অর্থায়ন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিএডিসির কাছে সরকারের ভর্তুকি বকেয়ার পরিমাণ ১০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে নন-ইউরিয়া সার আমদানির বিপরীতে ব্যাংকগুলোর কাছে বিএডিসির দায় ২২ হাজার ৭৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিএডিসির এক চিঠিতে সরকারের কাছে ভর্তুকির পাওনা এবং ব্যাংক দায়ের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিএডিসির নথি অনুযায়ী, এ পরিস্থিতিতে বকেয়া ঋণ পরিশোধে বিলম্বের কারণে নতুন করে এলসি খোলার অর্থায়ন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এতে আসন্ন বোরো মৌসুমের আগে সময়মতো সার আমদানি, খালাস ও বিতরণ নিশ্চিত করা না গেলে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) হিসাবে, ২০২৩ সালে ১৭ ধরনের ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির সম্মিলিত বৈশ্বিক বাজার ছিল প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, বৈশ্বিক আইসিটি সেবা রফতানিই ছিল প্রায় ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের। আর ডিজিটাল মাধ্যমে সরবরাহযোগ্য বিভিন্ন সেবার রফতানি পৌঁছেছে ৪ দশমিক ৮ ট্রিলিয়নে।

২০২০-২৪ সময়কালে উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোয় ডিজিটাল খাতের নতুন প্রকল্পে ৫৩১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে।

এ দ্রুত সম্প্রসারণশীল প্রযুক্তি অর্থনীতিতে বাংলাদেশ প্রায় অনুপস্থিত। দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাত থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।

তবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের আইসিটি সেবা রফতানি ছিল মাত্র ৭২৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থাৎ কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এখনো দৃষ্টিগ্রাহ্য কোনো বাজার, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগ ক্ষেত্র কিংবা উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তি রফতানিকারক—কোনোটিই হয়ে উঠতে পারেনি।

উদ্ভাবনেও বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে। জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ হবে?

এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সংসদের উচ্চকক্ষের স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব।

প্রস্তাবটির পক্ষে যুক্তি হলো, উচ্চকক্ষের স্পিকারকে কেন্দ্র করে একটি আগাম নির্ধারিত সাংবিধানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ নিয়ে শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক দরকষাকষি ও অনিশ্চয়তা কমতে পারে।

তবে এর বিপরীতে বড় প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত একজন স্পিকার কীভাবে দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেবেন?

সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন, এর সদস্য নির্বাচনের পদ্ধতি, স্পিকার নিয়োগে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বাছাইয়ের প্রক্রিয়া- সব মিলিয়ে প্রস্তাবটি এখন সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন, তা নির্ধারণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; বরং নিয়োগপদ্ধতি, প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের বিধানও স্পষ্ট করতে হবে।

দেশে ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরটিতে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে বছর বছর ফলের দাম বেড়েছে। আর তা স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালছাড়া হয়েছে।

রাজধানীর বাজারে ২০২০ সালের জুলাইয়ে এক কেজি মাল্টার দাম ছিল ১২০-১৫০ টাকা। একই মাল্টা এখন বিক্রি হয় ৩৫০-৩৮০ টাকা কেজি। গত সেপ্টেম্বরে দাম আরও চড়া ছিল। কেজি ছিল ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) একটি প্রতিবেদন বলছে, মাল্টা, আপেল, নাশপাতি ও আঙুরের ওপর বছর বছর শুষ্ক-কর বাড়িয়েছে সরকার। ফলে সরকারের আয় বেড়েছে। কিন্তু এসব ফল মানুষের নাগালছাড়া হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিদেশি ফল যখন দামি হয়েছে, তখন দেশি ফল আর সস্তা থাকেনি।

সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ফল ব্যবসায়ীদের একটি বৈঠক হয়। এরপর ফলের শুল্ক-করহার এবং দাম নিয়ে একটি সুপারিশমূলক প্রতিবেদন তৈরির জন্য ট্যারিফ কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনটি গত মঙ্গলবার জমা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের তাজা ফল আমদানিতে, শুল্ক-করকাঠামো বিবেচনা করা হলে দেখা যায়, তাজা ফল বিলাসজাতীয় পণ্যের শ্রেণিতে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— LDC extension proposal at UNGA on Thursday; অর্থাৎ এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব জাতিসংঘে তোলা হচ্ছে বৃহস্পতিবার।

খবরটিতে বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের উত্তরণ তিন বছর পেছানোর প্রস্তাব বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তোলা হচ্ছে।

এই প্রস্তাব পাস হলে বাংলাদেশ ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সুবিধাগুলো ধরে রাখতে পারবে।

বাংলাদেশ ও নেপালের উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর এই প্রস্তাবটি ৭৭টি দেশ ও চীনের পক্ষে জাতিসংঘে পেশ করবে উরুগুয়ে।

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এবং ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের (ইকোসক) সুপারিশ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এখন সাধারণ পরিষদের সদস্য দেশগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট প্রয়োজন, যা আগামী ২৪ নভেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হওয়ার কথা।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা নেওয়া বিএনপি সরকার অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বৈশ্বিক ধাক্কা এবং কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সময় পেতেই এই মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছিল।

এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ বিভিন্ন বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিশেষ সুবিধা এবং কিছু সহজ শর্তে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা পায়। উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হলে এসব সুবিধা হারাতে হবে।

তবে উত্তরণের জন্য বাড়তি সময় পেলে বাংলাদেশ তার বাণিজ্য সুবিধাগুলো হারানোর প্রস্তুতি নিতে আরও সুযোগ পাবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পাঁচ অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগ করতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাতগুলো হলো মোটরযান উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেলপথ ও সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদন শিল্প।

গতকাল বুধবার টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে মূল বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

পত্রিকাটির দুই প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা দেবে জাপান শিরোনামে আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দলিল সই হয়েছে। পাশাপাশি দুটি প্রকল্পে প্রায় ৩ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান।

সই হওয়া দলিলগুলোতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, কৃষি, কর্মসংস্থান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এবার আইইডিসিআরে 'মব' করে পরিচালককে মারধর— ইত্তেফাকের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী এবং পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বারবার মবের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত 'মব' বন্ধ করা যায়নি।

সর্বশেষ গতকাল বুধবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে কক্ষের ভেতরে কাজী আহমেদকে মারধর করা হয়েছে।

এর আগে, গত সোমবার রাতে 'জয় বাংলা' স্লোগান দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয় ।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত ৫৩৭টি মবের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় মারা গেছেন ২৫৬ জন আর আহত হয়েছেন ৫৭৫ জন।

সংগঠনটি বলছে, গত বছর মবের এই সংখ্যা ছিল ৪২৮টি আর ২০২৪ সালে ছিল ১৬৯টি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবের ঘটনা প্রকট হয়ে ওঠে।

সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায়— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে বেসরকারি এলপি গ্যাসের সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য সরকার যেখানে ১ হাজার ৯১৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেখানে সরকারের নিজের কোম্পানি 'এলপি গ্যাস লিমিটেড'-এর পণ্যটির নির্ধারিত দাম মাত্র ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা।

বাস্তবে অবশ্য ঢাকায় বেসরকারি এলপি গ্যাসের ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত গুণতে হয়েছে সম্প্রতি। সুলভ মূল্যের সরকারি এলপি গ্যাস সব সময় সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে একই পণ্যের দামে বিশাল পার্থক্যের কারণে চুরি, কালোবাজারিসহ নানা ধরনের অপরাধের জন্ম হচ্ছে। আর সরকারি কম দামের সুফল পাচ্ছে সমাজের সীমিত অংশ।

যদিও এখন পর্যন্ত সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা গ্যাসের পরিমাণ বেশ কম।