আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'
যুগান্তর পত্রিকার খবর - পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা।
খবরটিতে বলা হয়েছে, শ্রমিক অসন্তোষ, কারখানায় হামলা-ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা থেকে পিছলে যাচ্ছে পোশাকশিল্প। বারবার এমন পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিকবাজারে বাংলাদেশের ইমেজ ক্রমাগত ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বাড়ছে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা হারানোর ঝুঁকি।
এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে নতুন ক্রয়াদেশ, রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে। শুধু গত তিন দিনে পোশাক খাতে উৎপাদন ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫৫৯ কোটি টাকার।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলো যখন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে, তখন দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
চলমান অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে শুধু তাৎক্ষণিক উৎপাদন ক্ষতিই নয়, দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের বাজার অন্য দেশের দখলে চলে যেতে পারে।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই অস্থিরতার প্রভাব এখন কারখানার সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সিদ্ধান্তেও পড়তে শুরু করেছে। বিদেশি ক্রেতারা উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের সময়সূচি জানতে চাইছেন।
কোনো কোনো ক্রেতা আগামী দুই মাসের ক্রয়াদেশ কমানোর চিন্তা করছেন। এমনকি বাংলাদেশের কিছু ক্রয়াদেশ ভারত, পাকিস্তানসহ প্রতিযোগী দেশগুলোতে চলে যাওয়ার তথ্যও জানিয়েছেন তারা।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
নিউ এইজ পত্রিকার খবর - RMG wage movement marks another day of violence অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে ফের সহিংসতা, বন্ধ ৪৬৯ কারখানা
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে মঙ্গলবারও ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। এদিন শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, সড়ক অবরোধ এবং যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বিক্ষোভ দমনে পুলিশের পদক্ষেপের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতাকর্মীরাও রাস্তায় নামেন। তাদের দাবি, শ্রমিকের ছদ্মবেশে থাকা দুর্বৃত্তদের সহিংসতা প্রতিরোধে তারা মাঠে নেমেছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের মারধরে বিএনপির নেতাকর্মীদেরও জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও আন্দোলনকারীসহ ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এতে বিভিন্ন কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ও যান চলাচল ব্যাহত হয়।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মোট ৪৬৯টি কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে।
টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর - Does law give police right to kill? অর্থাৎ পুলিশকে কি কাউকে হত্যার অধিকার দিয়েছে আইন?
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের 'পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ কাউকে হত্যার অধিকার রাখে'—এমন মন্তব্যের পর এর আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মঞ্জিল মুরশিদ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একজন সদস্য বলেছেন, আত্মরক্ষায় পুলিশ আইন অনুযায়ী বলপ্রয়োগ করতে পারলেও সেটিকে কাউকে হত্যার সাধারণ অধিকার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
সাবেক আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, বলপ্রয়োগের মূল উদ্দেশ্য হতে হবে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মানুষের জীবন রক্ষা করা, কাউকে হত্যা করা নয়।
অন্যদিকে আইনজীবী মঞ্জিল মুরশিদ সতর্ক করে বলেন, সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এমন বক্তব্য এলে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ বাহিনী এখনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। এমন বক্তব্যে কর্মকর্তারা মনে করতে পারেন, সরকারই তাদের এ ধরনের বলপ্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকারের সমালোচনায় সরব ছিলেন জাহেদুর রহমান। ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশলবিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়। তিনি তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন।
দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর - জোটে থেকেই জামায়াতকে চাপে রাখতে চায় এনসিপি।
১১ দলীয় জোটে থেকেই বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে শরিক দলগুলো। শরিকরা স্থানীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে প্রার্থী দিতে চাইলেও জামায়াত সেদিকে হাঁটছে না।
জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একলা চলো নীতিতে নাখোশ। ইতোমধ্যেই এনসিপি নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে সেই আভাস পাওয়া গেছে।
তবে এই বিরোধের বিষয়টি সরাসরি কেউ স্বীকার না করলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রার্থী দেওয়ার পর দল দুটির মধ্যে দূরত্ব আরও বেড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ইস্যুতে জামায়াত-এনসিপির মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। এমনকি ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের পথসভায় জামায়াত আমিরকে সামনে বসিয়েই দলটির সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, যা নিয়ে উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
তা ছাড়া সর্বশেষ লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও দলটির নেতারা বলছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কিছু লেট করায় উদ্বোধনী সমাবেশে অংশ নিতে পারেননি।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর - গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার শঙ্কা সহিংসতায় বাড়ছে উদ্বেগ।
এই খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবনতি ঠেকাতে সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন সংঘাত-সহিংসতা একই সময়ে সামনে আসায় উদ্বেগ বেড়েছে।
একই সাথে নভেম্বর মাসজুড়ে এবং ডিসেম্বরকে সামনে রেখে ত্রিমুখী সহিংসতার ছক তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতা, ঝটিকা মিছিল থেকে ছদ্মবেশে থাকা হকার ও অটোরিকশা চালকদের দিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ এবং টার্গেট কিলিংয়ের জন্য কিলার ভাড়া করা। সব মিলিয়ে ডিসম্বর পর্যন্ত অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীরা।
খবরটিতে আরো বলা হয়, সীমান্ত এলাকা দিয়ে ওই দলের নেতাদের কলকাতা থেকে ফেরার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
বণিক বার্তা পত্রিকার খবর - বন্দরে হ্যান্ডলিং কমছে কাস্টমসে, আমদানিও নিম্নগামী।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- দৃশ্যমান হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধারাবাহিক অবনতির চিত্র। চট্টগ্রাম বন্দরের বার্ষিক হিসাবের পাশাপাশি মাসভিত্তিক তুলনাতেও শুল্কায়িত পণ্যের আমদানিতে বড় পতন দেখা গেছে।
সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ৯০ লাখ ৮৩ হাজার টন পণ্য শুল্কায়ন হয়েছিল, যার মূল্য ছিল ৪৮ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্থরতার চিত্র ফুটে উঠছে বন্দর ও কাস্টমসের পরিসংখ্যানে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে অক্টোবরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে শুল্কায়িত আমদানি পণ্যের পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে কমেছে প্রায় ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বাজারে চাহিদা কমার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং বাড়তি আমদানি ব্যয় শিল্প ও ব্যবসার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
তাদের মতে, উৎপাদন ও ভোগের এ সংকোচন দীর্ঘায়িত হলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানেও চাপ আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের মজুদ, আমদানি এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পূর্বাভাসভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
প্রথম আলোর খবর - চাকরি না পেয়ে ৬০% স্নাতক ডিগ্রিধারী অন্য কাজ করছেন।
দেশের কর্মক্ষম মানুষের ৮৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। এ সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ।
স্নাতক বা তার চেয়ে বেশি শিক্ষিত ব্যক্তিদের ৬০ শতাংশের বেশি চাকরি না পেয়ে অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব কাজে তাদের আয় আনুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের আয়ের তুলনায় ৪৫ থেকে ৮৪ শতাংশ কম।
বিশ্বব্যাংকের করা 'ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ ইন সাউথ এশিয়া: ফ্রম টেলউইন্ডস টু হেডউইন্ডস ফর ডেভেলপমেন্ট' শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
বিশ্বব্যাংক বলছে, অনানুষ্ঠানিক খাতে যারা কাজ করেন, তাদের চাকরির নিয়োগপত্র থাকে না। ফলে তাদের আইনি সুরক্ষা থাকে না বললেই চলে।
অনানুষ্ঠানিক খাতে নির্ধারিত কোনো মজুরিকাঠামোও নেই। ফলে তাদের আয়ও কম।
এছাড়া অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধির গতিও কম। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এ হার অর্ধেক।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শেষ পাতার খবর - US to stop $4b aid to Israel, অর্থাৎইসরায়েলকে ৪০০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র, ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সমঝোতা হয়েছে যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে বছরে ৪০০ কোটি ডলারের মার্কিন সহায়তা বন্ধ করা হবে।
ফক্স নিউজের 'ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস' অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলের এখন আর এই অর্থের প্রয়োজন নেই। তবে দেশটির প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে সহায়তা করতে পারে।
তবে কোন ধরনের সহায়তা বন্ধ করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বিদ্যমান সমঝোতা অনুযায়ী, ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৮ সালের পর এই সহায়তার ধরন কী হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস ও নেতানিয়াহুর কার্যালয় রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন জনগণের সমর্থন কমেছে, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে।
মানবজমিন পত্রিকার খবর - প্রচারণায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যয়, আগাম ভোট পড়লো ৬ কোটি।
যুক্তরাষ্ট্রের এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন হিসেবে রেকর্ড গড়ছে। এবারে নির্বাচনী প্রচারণায় মোট ব্যয় ১২ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন সংস্থা ওপেন সিক্রেটস।
মধ্যবর্তী নির্বাচন উপলক্ষে এদিন দেশটির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা থেকে ভোটকেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়। দেশটিতে অঙ্গরাজ্যভেদে ভোটগ্রহণ শুরুর ও শেষ হওয়ার সময় আলাদা। ফলে দেশ জুড়ে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু বা শেষ হয় না।
এবার দেশটিতে রেকর্ড আগাম ভোট পড়েছে। অন্তত ৫ কোটি ৮৭ লাখ ভোটার আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই আগাম ভোট দিয়েছেন। দেশটির স্থানীয় সময় সোমবার রাত ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মোট ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৭৭ হাজার ৬২টি ভোট জমা পড়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার ইলেকশন ল্যাবের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগাম ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫২১ জন সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। আর ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ৬৭ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪১ জন।
সমকাল পত্রিকার খবর - দ্বিতীয় পদ্মা, যমুনা সেতুসহ তিন প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ।
উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ সহজ করা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, জমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন ও দরপত্র প্রক্রিয়াসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত হলে বৃহত্তর রংপুরের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মিত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।